প্রবল বর্ষণের মাঝেই নদীয়ায় ভাগীরথী নদীতে ভাঙ্গন

Social

মলয় দে নদীয়া:-গতকাল দুপুরে ঘূর্ণিঝড় যশের হালকা প্রভাবেই ভাগীরথী নদী উত্তাল হয়। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ভরা কোটাল এবং পূর্ণিমা থাকার কারণে ভয়াল চেহারা নেয় নদীয়ার শান্তিপুর ভাগীরথী নদী। ইয়াশ এর অভিমুখ উড়িষ্যার দিকে হওয়ার কারণে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়ে বাংলায়। নদীয়ার সে ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। যদিও গঙ্গার তীরবর্তী বেশকিছু মানুষ স্থানীয় স্কুলে আশ্রয় নিয়েছিল নিরাপদে থাকার কারণে। আর এভাবেই রাতে নিশ্চিন্তে নিদ্রা গিয়েছিলেন অনেকেই!

বিকাল থেকে ফাটল দেখা গেলেও গঙ্গার তীরবর্তী শান্তিপুর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত স্টিমার ঘাটে রাত দশটা নাগাদ ক্রমশ বাড়তে থাকে পাড়! এলাকার চাষের জমি তলিয়ে যায় ভাগীরথী নদীরতে। এলাকাবাসী জানান গত দুর্গাপূজার সময় গঙ্গার ভাঙন শুরু হয়, একের পর এক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে এলাকার।

শান্তিপুর স্টিমার ঘাটে জল প্রকল্প থেকে শুরু করে তালতলা পাড়া পর্যন্ত ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়। ভাঙ্গন শুরু হওয়ার পর থেকে এলাকার মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
সংসদ, বিধায়ক, শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর প্রত্যেককেরই গঙ্গার ভাঙনের কথা জানা। কিন্তু তৎপরতার সাথে বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। তারপর থেকে প্রত্যেকে আশ্বাস দেয় খুব তাড়াতাড়ি গঙ্গা ভাঙ্গন এর কাজ শুরু হবে প্রায় এক বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও কোনো রকম গঙ্গার তীরবর্তী এলাকায় কাজ শুরু করা । গতকাল সারারাত প্রতীক্ষায় থাকেন তারা, নিজেদের একে অপরের সহযোগিতায় অন্যত্র নিরাপদে স্থানান্তরিত হওয়ার চেষ্টা করছে নিজেরাই। প্রাক্তন কাউন্সিলর ওই এলাকার হওয়ার কারণে তাকে বিভিন্ন কাজে পাশে পেলেও, স্থায়ী সমাধানের কোনো পথ দেখছেন না এলাকাবাসী। প্রবল বর্ষণ এবং আজ ভোরের টর্নেডো ঝড়ে শান্তিপুরের কিছু বাড়িও বিধ্বস্ত হয়। তার উপর গঙ্গা ভাঙ্গন অনেকটাই দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে অভিভাবহীন শান্তিপুর বাসিকে।

Leave a Reply