মলয় দে, নদীয়া:- সরকারের গীত এবং নাটক বিভাগের (বর্তমানে আর ও বি) ৫৪০০০ লাইভ মিডিয়া শিল্পী আজ অনুষ্ঠান থেকে বঞ্চিত ফলে ভারত সরকারের প্রচারকার্য আজ বন্ধ!
১৯৬৩ সালে গঠিত ভারত সরকারের সঙ্গীত এবং নাটক বিভাগের লাইভ মিডিয়া শিল্পী তারা। শুরু থেকেই নিজেদেরকে সমর্পিত করেছিলেন সরকারের প্রচারকার্যে। যেখানে ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া পৌঁছায়নি বা পৌঁছাতে পারেনিতারা সেই দুর্গম জায়গায় পৌঁছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারের প্রচারকার্য পুরো করেছিলেন। ২০১৭ সালে সরকার সিদ্ধান্ত নেন প্রচার কার্যের তিনটি বিভাগ ডিএফপি, ডিএবিপি এবং এস এন্ড ডিডি এক জায়গা করে প্রচারকার্য আরো বাড়ানো হবে এবং যারা ক্যাজুয়াল আর্টিস্ট তারা আরো কাজ পাবে। বিগত এতগুলো বছর বিভাগীয় শিল্পীদের সাথে তাল মিলিয়ে বিভাগের নির্দেশে কাজ করে এসেছেষ। কিন্তু দুঃখের কথা আজ তাদেরই নানা বাহানায় ভারত সরকারের প্রচার কাজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিল্পীরা। অথচ বিভাগকে বাঁচাতে যখন যেমন তৎকালীন সরকার তাদের কাজকে সন্মানিত করেছেন এবং ডিভিশনের উন্নতি প্রকল্পে দিনের-পর-দিন লড়াই করেছেন। তাদের ধারণা আজ বিশেষ কিছু উচ্চ পদস্থ অফিসার সরকারকে ভুল বোঝাচ্ছেন এই বিভাগ সম্বন্ধে। ফলে শিল্পীদের সাথে সাধারণ মানুষও বঞ্চিত হচ্ছেন বলে মনে করেন কলাকুশলীরা।
এ ধরনের নানা বিষয় উত্থাপিত করে আলোকপাত করার জন্য গত ১লা মার্চ২০২১ কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিকেল ৩ ঘটিকায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের কথা
সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন সাধারণ মানুষ এবং সরকারের জ্ঞাতার্থে।
তারা দাবি তোলেন প্রচুর পরিমাণে সরকারি ফান্ড থাকা সত্বেও কাজ কেন পারছেনা শিল্পীরা?
সংসদীয় সমিতি দ্বারা রিপোর্টে যেখানে এই শিল্পীদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, রাজ্যপাল নবরত্ন সম্মানে ভূষিত করেছেন এই শিল্পীদের তাহলে কাদের জন্য এঁরা আজ প্রচারকার্য থেকে বঞ্চিত?