নিউজ সোশ্যাল বার্তা, ১২ই নভেম্বর,সঞ্চিতা মন্ডল:
ভোরবেলাতে দরজায় ঠক ঠক আওয়াজ শুনে অতঃপর উঠতে হলো । আমার দিদি অার আমি দুজনে একসঙ্গে থাকলে কোনোদিন ও উঠবে না। আসলে সে বয়সে বড়ো এটা সে আমার কাছ থেকে সুবিধা নিতে একদম ভুলে যায় না । তবে আজ মা নয় , বাবা ওঠাতে এসেছে । দরজা খুলতেই বাবা গলার স্বর একটু উঁচু করেই বললো এখন ও ঘুমাচ্ছিস?? ৫ টা বেজে গেছে। আমি তো অ্যালার্ম বাজার আগেই উঠে পড়েছি। আমি বাবার সঙ্গে কথা বলতে বলতেই মোবাইল দেখতে ভুলি নি। বাবার কথা শেষ হতেই আমি বললাম যাও গিয়ে আবার ঘণ্টা দেড়েক শুয়ে পরো । বাবাতো আমার কথা শুনে রেগে যাওয়ার উপক্রম । আমি বলে উঠলাম ব্যাপারটা কি বলত তুমি আর মা সবাই এক ঘণ্টা আগে উঠে পড়ছো?? বাবা বলে উঠলো আমার ঘড়ি একদম ঠিক তোদের মোবাইল ভুল । তার পর একটু স্বজ্ঞানে চিন্তা করলাম ব্যাপারটা কি হচ্ছে?? তারপর ব্যাপারটা বোধগম্য হলো । বললাম বাপী দেখ যাও রুমে গিয়ে শুয়ে পরো। আর ঘড়ির সময় টা তুমি এক ঘন্টা পিছনে করে নাও। কেননা তোমার ঘড়ির সময় টা কুয়েত এর সময় করা আছে। এখন রাত ৩.৫৬ মিনিট । বাবা ও দেখলাম আমার কথা টা মেনে নিল এবং যাওয়ার সাথে সাথে রুমের দরজা লাগিয়ে নাক ডেকে ঘুম দিয়ে দিলাম। তারপর যথা সময়েই উঠে দিদি আর আমি তৈরি হলাম সাজু গুঁজু করে । লাগেজ প্যাক করে। লাগেজ ৬ টার মধ্যে বাইরে বের করে দিতে হবে হোটেল কতৃপক্ষ নিয়ে যাবে রুমের বাইরে থেকে। আজকেই আমরা কায়রো থেকে যাবো আসোয়ান রাত্রের ট্রেনে। যাক কোনো রকমে ব্রেকফাস্ট এর এলাকাতে পৌঁছলাম ৬.৩০ টা নাগাদ। তখন দেখছি অনেকের প্রায় শেষ এর মুখে ব্রেকফাস্ট। তাড়াতাড়ি করে ব্রেকফাস্ট নিলাম এক এক করে। অমলেট এর জন্য লাইন দিতে হলো সেফ এর কাছে। ব্রেকফাস্ট ওই একই কন্টিনেন্টাল। ব্রেকফাস্ট সেরে লবি তে পৌঁছলাম । তখন সময় ৭ টা । টুর ম্যানেজার বললো যে যার নিজের লাগেজ ঠিক ভাবে সব এসেছে কিনা দেখে নিন। দেখে নিলাম ও বাসে উঠে পড়লাম। টুর ম্যানেজার হারাধনের ছেলেদের গুনে নিল ও আমাদেরকে ইন্ডিকেট করে বললো আমরা আজকে ১০ মিনিট লেট। কিন্তু আমাদের দুই বোনের লেট কথাটা শুনে সেরকম কিছু ফারাক পড়লো না। বাঙালি ১০ মিনিট লেট করলে বলাই চলে in time এ আছে।। বাবা পেছনের থেকে বলে উঠলো তোদের কেই বলছে। যাক বাস ছাড়লো।
আজকে যাবো পিরামিড দেখতে। বাস ছুটে চললো ট্রাফিক পেরিয়ে। ট্রাফিক সেইদিন খুব বেশি ছিল রবিবার থাকার কারণে। ইজিপ্ট এ শুক্রবার এবং শনিবার এই দুই দিনছুটি । ইজিপ্ট এর লোকেদের রবিবার মানে আমাদের এইখানে সোমবার।রবিবার ওদের ছুটি নয়। সকাল বেলায় বাচ্চাদেরকে মা স্কুলে নিয়ে যাচ্ছে। কাউকে দেখছি রাস্তার উপরে দৈনিক বাড়ির আবর্জনা ফেলে দিয়ে চলে গেলে । আগেই বলেছি ইজিপ্ট কিন্তু মোটেই ঝা চক চকে নয়। ওখানে রাস্তা দিয়ে দেখতে পাবেন অনেক রুটির দোকান বড়ো বড়ো রুটির দোকান রোদ্রে রুটি মেলে রেখেছে দোকানদাররা। নিশ্চই ওই রুটি ওখানে খাওয়া হয়। তার সঙ্গে দেখতে পেলাম রাস্তায় সতেজ ফলের দোকান। এই সব দেখতে দেখতে কোলাহল পূর্ণ শহর শেষ করে মরুভূমি দিয়ে বাস ছুটে চলেছে। ধূ ধু মরুভূমি। তখনই মাইক নিয়ে টুর গাইড বলতে শুরু করল রাস্তার একদিকে নীল নদের শেষ প্রচুর খেজুর গাছের সারি আরেকদিকে শুরু হচ্ছে বৃক্ষ শুন্য সাহারা মরুভূমি। এই পৃথিবী বড়োই বিচিত্র ! অবশ্য সবুজ পৃথিবীকে সাহারার মত মরুভূমি তে পরিণত করে চলেছি আমরা প্রতিনিয়ত।
এই সব ভাবতে ভাবতে বাস থামলো মরুভূমির মধ্যে। টুর ম্যানেজার নামার আগে সাবধান বানী শুনিয়ে দিলো। বললো কেও ওখানে গিয়ে কোনো উঠ এর সামনে দাড়িয়ে কিম্বা ধরে ছবি তুলবেন না। যে সব লোকজনেরা আছেন তাদের থেকে কোনো জিনিস নিয়ে ছবি তুলবেন না। ওরা প্রথমে তো ছবি তুলতে বলবে পরে কিন্তু টাকা চাইবে। না দিলে ছাড়বে না। যাক এইসব শুনে বাস থেকে নামলাম। তখন সূর্য এর তেজ ভালই। ছাতা সানগ্লাস নিয়ে নিলাম। টুর ম্যানেজার হাতে টিকিট ধরিয়ে দিল।দেখতে এসেছি সাকাড়া স্টেপ পিরামিড। টুর গাইড বোঝাতে শুরু করলো মাটিতে এঁকে। আমি ওতো বোঝার চেষ্টা করলাম না। টিকিট দেখে বুজলাম এই জায়গাটি World Heritage site হিসাবে পরিগণিত করেছে ইউনেস্কো । ছবি তুলতে শুরু করে দিলাম ভেতরে ঢুকে। ধ্বংসাবশে এ পরিনত হয়েছে। কিছুই সেরকম দেখার নেই। ঘুরে দেখে সময় মত বাসে উঠে বসলাম। টুর ম্যানেজার গুনতে শুরু করে দিলো হারাধন এর ছেলেদের। গোনার সময় বাদ সাজলো হারাধনের তিন ছেলে নেই। ২৫ মিনিট অপেক্ষা করা হলো বাসে। বাস শেষ অব্দি ছেড়ে বেরিয়ে গেলো ।মন আমাদের দুই বোনের খারাপ। অনেকে যারা আমাদের সকালের ১৫ মিনিট দেরি করার জন্য বলেছিল কোনো ঘোরার জায়গা বাদ পড়ে গেলে কি হবে?? যাদের দেরি হবে তাদের ছেড়ে দিয়েই আসতে হবে। কিছু করার নেই।কিন্তু ওই ৩ জনের জন্য খুব মন খারাপ আমাদের। যতই হোক এক দেশ থেকে এসেছি সবাই মিলে আনন্দ করবো বলে কাওকে ফেলে যাওয়া আমাদের ধাতে নেই । টুর গাইড কে বোঝালাম । টুর ম্যানেজার খুঁজতে গেলো তিনজন কে। আমাদের বাস ছেড়ে এক কিলোমিটার এগিয়েই একটা পিরামিড সেটা দেখতে যেতে বললো। কেননা টুর ম্যানেজার আগেই আমাদের ভুলভাল বুঝিয়েছিল যে গিজা পিরামিডে ঢুকতে খুব কষ্ট । হামাগুড়ি দিয়ে অনেকটা নিচে নামতে হবে। আর নিচে নেমে দেখারও কিছু নেই। তাই এই ছোট পিরামিডটা দেখতে গেলাম । হামাগুড়ি দিয়ে নিচে নামলাম। বললো নেভার তিতী এর পিরামিড। কিছু ছবি তোলা হয় নি। গাইড বললো ছবি তোলা মানা। ছবি তোলার পর ধরা পড়লে ১০০ ডলার দিতে হবে।ওই পিরামিড এর নিচে হামাগুড়ি দিয়ে মাথা সামলে নামলাম। হাইরোগ্লিফি তে পিরামিড এর গায়ে লেখা আছে। তেমন কিছু নেই । পিরামিড এর ভেতর থেকে হামাগুড়ি দিয়ে উঠে এলাম। উঠে আসার সময় বাকি হারাধন এর হারানো তিন ছেলেকে দেখতে পেলাম। মনে শান্তি পেলাম যেন।
পরের স্থান মেমফিস।Memphis গিয়ে টিকিট ধরালো টুর ম্যানেজার। মেমফিস Ancient e
Egpytian দের একটা গুরুত্বপূর্ণ শহর ছিলো। দেখলাম রাজা Rameses2 এর বিরাট মূর্তি গ্রানাইট দিয়ে তৈরি। স্ফিংস এর মূর্তি। ছবি তুলে সোজা বাসে। বাস চলে গেলো সোজা লাঞ্চ এর জন্য। ওই একই ধরনের খাবার খেয়ে দেখতে গেলাম গিজা পিরামিড।
গিজা পিরামিড এ পৌঁছে টিকিট হাতে ধরিয়ে দিল এবং বললো টিকিটটি সযত্নে রাখতে ফেলে দিলে স্ফিংস এর ওখানে ঢোকা যাবে না। টিকিট মূল্য ১৬০ পাউন্ড। World heritage site গিজা পিরামিড চত্ত্বরে ঢুকেই ছবি তুলতে শুরু করলাম। গিজা পিরামিডের কাছে গিয়ে দেখলাম কত বড়ো বড়ো সাইজের পাথর দিয়ে বানানো হয়েছে খুফুর পিরামিড। হলদে চুনাপাথর দিয়ে তৈরি হয়েছে পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তম আশ্চর্যের এক আশ্চর্য। পাশেই দেখলাম খুফুর ছেলের, খুফুর নাতির, রানীদের পিরামিড। অনেক বিদেশী ভেতরে ঢুকছে ৪০০ পাউন্ড দিয়ে। আমাদের ঢোকার ইচ্ছে থাকলেও টুর ম্যানেজার এর বাজে বুদ্ধির জন্য হয় নি ইচ্ছে পূরণ। পিরামিড থেকে এসে বাসে চেপে স্ফিংস এর ওখানে গেলাম। দূর থেকে দেখতে পেলাম লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের চেয়ার গুলো।।
বলে রাখি সমগ্র ইজিপ্ট এই ওখানকার দোকানদার রা ইন্ডিয়ান বলে কিম্বা রানি মুখার্জি কিম্বা শাহরুখ খান বচ্চনজির নাম করে আপনার মন জয় করার চেষ্টা করবে। ওখানকার লোকেদের কে যদি ছবি তুলে দেওয়ার জন্য বলেন তাহলেও কিন্তু টাকা চাইবে। যদি বলেন আমার কাছে কোনো টাকা নেই তাহলে ছেড়ে দেবে। আমাদের গিজা পিরামিডে যিনি ছবি তুলে দিচ্ছিলেন তিনি টাকা চেয়ে বসলো। ভাবলাম ফোন টা যদি রেখে দেয় টাকা না দিলে তাই ছবি তোলার পর ফোন টা ওদের কাছে থেকে ছিনিয়ে নিয়ে দৌড়ে দিলাম অার বাসে এসে বসতেই টুর ম্যানেজার কে বললাম কটন মিউজিয়াম দেখাতে নিয়ে যেতে।
ইজিপ্ট এর কটন বিখ্যাত।। বলে উঠলো কেও তো কিছু কিনবে না তখন গিয়ে কি করবে? কি জানি তার কমিশনের ব্যাপার ছিল কিনা জানি না ! বিখ্যাত ইজিপশিয়ান কটন না দেখতে পাওয়ার আফসোস কখনো যাবে না। নিয়ে গেলো পারফিউম ফ্যাক্টরি তে। ওখানেও ওয়েলকমে ড্রিংক হিসাবে ওই জবা ফুল দিয়ে তৈরি পানীয় দিলো । আর কাওকে কাওকে চা। ওখানে প্রথমেই বলে উঠলো আপনরা যে আতর ব্যবহার করেন সেটা গন্ধ খুব তীব্র।অনেকের মাথা ধরে যায়। কিন্তু এখানে পারফিউম সুগন্ধি হিসাবে ব্যাবহার হাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেডিসিন হিসাবেই ব্যাবহৃত হয়। সত্যি গন্ধ অসাধারণ সেরকম দাম টাও অসাধারণ । দেখে ওদের কথা শুনে আমরা সবাই পালিয়ে এলাম।
মাঝখানে কিছু কথা গাইডকে জিজ্ঞাসা করলাম মিশর এর সংস্কৃতি সম্পর্কে।
মিশর প্রধানত মুসলিম প্রধান দেশ। হিন্দু নেই একদমই। খ্রিষ্টান ধর্মালম্বী মানুষও কিছু বাস করে । মিশরে মাত্র ৯% বেকার। এক একটা মিশরের ছেলে ,৪ টে করে বিয়ে করতে পারে । যত খুশি সন্তান নিতে পারে। ওখানকার মেঁয়েরা কিন্তু একবার বিয়ে করতে পারে। মেয়েরা বোরখা পরে না হিজাব পরে।
আমাদের টুর গাইড এর দুবার বিয়ে । তিনটে কন্যা সন্তান। সে তৃতীয় বিয়ে করতে চায়। সেটা ভারতীয় নারী হলে ভালো হয়। তার মতে জীবনটা খুব ছোট। যেটা করে আনন্দ পাবে সেটাই করা উচিত। যাক এইসব শুনে আমার মোটেও ভালো লাগলো না । ইজিপ্টের বেশির ভাগ লোকেদের উচ্চতা দীর্ঘকায়। মেয়েদের স্বাস্থ্য বেশ ভালো এবং লম্বা চওড়া। গায়ের রং ওখানকার লোকেদের ফর্সা কালো মিলিয়ে আছে। কিছু কিছু ছেলে মেয়েরা দেখতে ভালোই। সবাইকে ড্রেস হিসাবে পরতে দেখলাম গালাভিয়া। ড্রেসটা লম্বা পা অব্দি। আমার মতে আমাদের নাইটির মতো। ফুল স্লিপ। ডেমোক্রেটিক দেশ কিন্তু কারো সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কিছু কথা বলার ক্ষমতা নেই।
আমরা বাসেের জন্য অপেক্ষা করছি। বাস গেছে হোটেলে আমাদের লাগেজ আনতে।বাস এলো উঠে পরলাম। পৌঁছালাম গিজা স্টেশন।
গিজা স্টেশন বিদেশের স্টেশন বলতে ঝা চক চকে বোঝায় সেটা মোটেই নয়। আগেই বলেছি ইজিপ্ট এ নোংরা এর পরিমাণ বেশি। স্টেশন দেখে আর ওখানে ট্রেনের ভিড় দেখে নোংরা দেখে আমার চোখ কপালে। কি করে এক রাত্রি ট্রেন এ কাটাব। নোংরা ট্রেনের বাথরুম হবে। উফফফ কেনো এলাম যে ভাবতে লাগলাম। টুর ম্যানেজার এসে সিট নম্বর বলে দিল। স্টেশন এর উপর দিয়ে ঘন ঘন মেট্রো যাচ্ছে। ট্রেন এর কৌশল সব টুর ম্যানেজার বুঝিয়ে দিল। ট্রেন এলো। উঠলাম।। উঠে দেখি বেশ গালিচা ভেতরে পাতা আছে। এক একটা কূপ করা আছে। কূপ এর মধ্যে দুজন করে থাকতে পারবে। কূপ এর ভেতরে বেসিন আছে হাত ধোয়ার জন্য। কিন্তু কূপ গুলির পরিসর খুব ছোট। লাগেজ নিয়ে দুজন থাকতে কষ্ট। ট্রেনের কোচটা কিছুটা আমাদের এখানের রাজধানী ফার্স্ট ক্লাস এর মত। কিন্তু নিচে সিট এ রাত্রে শোবো কি করে? এত ছোট সিট।। কোচ Attender একজন থাকে সে এসে দেখিয়ে দিলো রাত্রে এর খাবার খাওয়্যার পর তাকে বেল দিয়ে ডাকতে। সে নিচের বেড টা নামিয়ে দেবে। উপরে ব্যাঙ্ক এ ওঠার জন্য সিড়ি দিয়ে দেবে। আর লাগেজ গুলো উপরে তুলে দিল। কূপ এর ভেতরে হাত ধোয়ার যে বেসিন আছে সেটিতে খুব ধীরে জল পড়ছিল। না পড়ার সমান। গেলাম বাথরুম দেখতে।। বাথরুম তো আরেক। কোনকিছুই আমাদের মতে হয় না । বাথরুমে যে বেসিন আছে সেই বেসিনের নিচে বোতাম প্রেস করতে হবে পা দিয়ে তবেই জল বেরোবে বেসিন এর কলে। কমোডে সব কিছু পাশ হবে প্যাডেল প্রেস করলে। যেটি কমোড এ পা এর কাছে আছে। কমোড এর ফ্ল্যাশ বলতে যেটা আমরা জানি সেটা পা এর কাছে আছে। বাথরুম পরিষ্কার।।
আধা ঘণ্টা অন্তর অন্তর এক জন বাথরুম পরিস্কার করে দিয়ে যাচ্ছে। যতটা ভেবেছিলাম ট্রেনের জার্নি ভয়ানক হবে ততটা কিন্তু নয়। ভালই লেগেছে ট্রেন জার্নি। যাক এই সব কিছু দেখে ট্রেনেই দেওয়া রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লাম।। সকালে উঠে বাথরুম এর সঙ্গে যুদ্ধ করে তৈরি হয়ে ট্রেন এর ব্রেকফাস্ট সেরে ট্রেন এসে দাড়ালো আমাদের গন্তব্যে আসওয়ান স্টেশনে । সময় তখন সকাল ৯ টা । ( ক্রমশ)
Facebook : News Social Barta 24×7