নদীয়ার এই অঞ্চলের জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের সাজ বানান পাড়ার ছেলেরাই

Social

মলয় দে, নদীয়া :- নানান রকম পেশায় অনেকেই পটু হন পারিবারিক সূত্রে! অর্থাৎ বংশপরম্পরায় কোন কাজ করে আসলে সেই পরিবারের ছোট্ট সদস্যও হয়ে ওঠে পারদর্শী! বিজ্ঞানের ভাষায় অবশ্য অনেকে বলে থাকেন জিনগত, চলতি ভাষায় আমরা বলে থাকি রক্তের গুন!

কিন্তু পাড়াগতসূত্রে প্রাপ্ত শিল্পত্ব শুনেছেন কখনো! আজ্ঞে হ্যাঁ জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষে নদীয়ার শান্তিপুর শহরে সূত্রাগড় অঞ্চলে তামিলি পাড়া এবং সেনপাড়ায় আজ থেকে প্রায় দুইশ আড়াইশো বছর আগে থেকে ঠাকুরের সমস্ত সাজের কাজ করে আসছেন পাড়ার ছেলেরাই। পাড়ার বড়দের কাছ থেকে ছোটবেলায় একাজে হাতেখড়ি, আবার যারা আজকের শিক্ষাগুরু, তারাও একসময়পাড়ার বড়দের কাছে ছিলেন শিক্ষানবিশ। জগদ্ধাত্রী পুজোর আগের এ কদিন বারোয়ারি তলায় সকলে! যে যখন যতটুকু সময় পাচ্ছে, চুমকি, লেস, কাগজের ফুল, শোলা, নানান উপকরণে আঠা লাগিয়ে তৈরি করে চলেছে বিশাল আকার জগদ্ধাত্রী মায়ের পেছনের চালী, বাজু বন্ধন, গলার হার মুকুট সহ বিভিন্ন অলংকার তৈরীর উদ্দেশ্যে।

দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই প্রথার ফলে এলাকার প্রায় প্রত্যেক সদস্যই শিল্পকর্মে হয়ে উঠেছে পটু। ঠাকুরদালানে বানানো প্রতিমা সম্পন্ন হওয়ার পর মৃৎশিল্পী চলে যাওয়ার পর থেকেই নাওয়া খাওয়া ভুলে তাদের ব্যস্ত থাকে তুঙ্গে।

Leave a Reply