নদীয়ায় মিলছে নতুন পোশাকের সঙ্গে ম্যাচিং মাস্ক 

Social

মলয় দে, নদীয়া:- পুজো মানেই হিড়িক! প্রয়োজন অতিরিক্ত জামা কাপড় কেনা, গৃহিণীর শাড়ির বায়নার সাথে সাধ্য ছাড়িয়ে গৃহস্থালির বিভিন্ন উপকরণ কেনা, দীর্ঘদিন কথা না বলা নিকট আত্মীয়ের ছেলে মেয়েদের উপহার পৌঁছানো, গৃহস্থলীর কাজে সহযোগিতা করা সকলকে খুশি রাখতে, প্রত্যেক পরিবার সদস্যদের পার্বনী দিয়ে এটিএম তু্ল্য হাড় কৃপণ পরিবার প্রধানকেও দাতাকর্ণের ভূমিকায় দেখা যায় একমাত্র এই সময়। তবে সবকিছুর মধ্যে জামাকাপড় অন্যতম। ধনী হোক বা দরিদ্র পুজোয় নতুন জামা কাপড়ের গন্ধ কিন্তু সকলের কাছে সমান।

বিশেষ করে সিরিয়াল দেখে মায়েদের, কার্টুন দেখে পরিবারের খুঁদেদের, অনলাইনে ঘেঁটে যুবকদের জামা কাপড় কেনার ব্যাপারে খুঁতখুঁতে কিন্তু অনেকেই ।

ব্যাবসায়িক সুকৌশলে এবং নায়ক নায়িকাদের পরিহিত বস্ত্রের বিজ্ঞাপনে অতীতে প্রায় প্রত্যেক বছর বিশেষ কোন নাম দিয়ে জামা কাপড়ের হিড়িক লাগতো পুজোর সময়। অনলাইন প্রযুক্তির উন্নতি হওয়ার পর সারা বছরই চলে কেনাবেচা। তবে পুজোর কেনাকাটা সম্পূর্ণ বাঙালি আবেগের সঙ্গে জড়িত। এবছর করোনার সচেতন বার্তা পৌঁছাতেই হোক বা ব্যবসায়িক মুনাফা! শাড়ি সায়া ব্লাউজ ম্যাচিংয়ের সাথে বাজারে জায়গা করে নিয়েছে মাস্কও। বিভিন্ন বড় কোম্পানির টি-শার্ট জামা ওই একই কাপড় দিয়ে মাস্ক দিচ্ছেন ফ্রিতে! এমনকি এক দোকানে গিয়ে দেখা গেল অদ্ভুত চিত্র। সেখানে বিছানার চাদেরের সাথে মাথার বালিশ , পাশ বালিশের কভারের সাথেও একজোড়া মাস্ক। ছোট ছেলেদের বাবা স্যূট হোক বা মেয়েদের ফ্রক লেহেঙ্গা, টপ, সবকিছুর সাথেই ম্যাচিং মাস্ক। এমনকি সালোয়ার কামিজের থ্রিপিসের সাথে এবার যোগ হয়েছে আর এক পিস সেটা হলো মাস্ক।নদীয়ার শান্তিপুর ,কৃষ্ণনগরের বাজারে দেখা গেল এমন পোশাক ।

তবে ছেলেদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করলেও ফেসিয়াল, মেকআপ করা মেয়েরা কতটুকু সেগুলো ব্যবহার করবেন পুজো দেখতে বেরিয়ে ? অপেক্ষায় থাকতে হবে আর কিছুদিন….

Leave a Reply