মলয় দে নদীয়া:- প্রচারের আলোকে অনেক কিছুই চির স্মরনীয় হয়ে থাকে, আর অর্থ অথবা সময়াভাবে প্রচারের অন্ধকারে হারিয়ে যায় চিরসত্য ।
আজ আমরা এই রকমই এক বহু প্রাচীন শিব মন্দিরের ঘটনা তুলে ধরব আপনাদের সামনে। যা হয়তো আগামী দিনের জন্য রয়ে যাবে প্রামাণ্য হিসেবে। দৃষ্টি আকর্ষিত হতে পারে কোনো ঐতিহাসিক বেসরকারি সংস্থা অথবা সরকারি দপ্তরের।
তবে এলাকার মানুষের কাছে অজানা নয়, কিন্তু নদীয়ার শান্তিপুরের গণ্ডি পেরিয়ে হয়তো অনেকেই জানেন না শান্তিপুর সুত্রাগড় অঞ্চলের রামপদ সরণিতে অবস্থিত ১৪৪ বছরের বৃহদাকার প্রাচীন একটি মন্দির এবং তিন ফুট উচ্চতার শিবলিঙ্গের কথা। সেখানে মন্দিরের দেওয়ালে হরপ্পা মহেঞ্জোদরতে প্রাপ্ত পশুপতিনাথ এর নিদর্শনা আজও বর্তমান।
শিবরাত্রি নীল ষষ্ঠী তে এলাকার ভক্তদের আগমন ঘটলেও নিত্যনৈমিত্তিক পুজো বাদে মন্দির সংস্কার, বা রক্ষণাবেক্ষণের অর্থ বা সময় কোনটাই নেই ওই পরিবারের বর্তমান প্রজন্ম সনৎ ইন্দ্রের। তিনি পেশায় একটি মিষ্টান্ন দোকানের কর্মচারী। আজও মন্দিরের গায়ে বাংলায় অশোকা অর্থাৎ ঠাকুমার নামের ফলক বাবার মুখের অনেক গল্প মনে করিয়ে দেয়। ওই বাড়িটি দেড়শ বছর আগে ইন্দ্র পরিবারের পঞ্চম পুরুষ মন্দির সহকারে বসতবাড়ির হস্তান্তরের অধিকার পেয়েছিলেন। কিন্তু মন্দির স্থাপন কবে, কি বা তার ইতিহাস তা নিয়ে বয়স জ্যেষ্ঠ দের কাছে অনেক তথ্যই পাওয়া যায় কিন্তু তা খোঁজখবর করে একত্রিত করার সময় নেই তাই হারিয়ে যাচ্ছে এই স্মৃতি এমনটাই জানালেন আমাদের।