মুঠো মুঠো ট্যাবলেট নয় কুমড়ো’র বীজেই লুকিয়ে জিংক! হার্টের রোগ থেকে ডায়াবেটিস কুমড়ো কাজ করে ম্যাজিকের মতো

Social

মলয় দে, নদীয়া :- মোটা সোটা বন্ধুকে কুমড়ো বলে ক্ষ্যাপানো, একেবারে ভুলে যাবেন যদি, কুমড়ার গুনাগুন জানতে পারেন!

বর্তমানে করোনার হাত থেকে নিস্তার পাওয়ার কারণে অনেকেই মুঠো মুঠো জিঙ্ক ট্যাবলেট খেয়ে থাকেন! জানেন কি? কুমড়োর বীজের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি জিঙ্ক লুকিয়ে রয়েছে? প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং জিঙ্ক থাকার কারণে, প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার অভ্যর্থ উৎস। অনেকেই বাতের ব্যথায় ভুগে থাকেন! জানেন কি বাতের ব্যথা থেকে চিরতরে মুক্তি দেবে মিষ্টি কুমড়ার বীজ! ভেঙে যাওয়া হাড় এবং চর্বির সন্ধিস্থলে ব্যথা হলে ম্যাজিকের মতন কাজ করে, কুমড়ো বীজ তা সে যেভাবেই খান না কেন!
এতো গেলো বীজের কথা! কুমড়োর ছক্কা হোক বা ঘ্যাট! ভাজা হোক বা ভাতে সেদ্ধ! বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর দাঁত হাড় টিস্যু এবং ত্বকের পক্ষে প্রচন্ড উপকারী।

এটা খেতে ভয়! ওটা খেতে বারণ, সুগারের পেশেন্টদের, ডাক্তারি মতে চোখ বুজে খান মিষ্টি কুমড়ো! হার্টের রোগ বা ডায়াবেটিস মিষ্টির কুমড়োর গুনাগুন জুড়ি মেলা ভার! হজম শক্তি বাড়িয়ে, এবং মল বর্ধক হিসেবে সতেজ চনমনে রাখতে পারে আপনাকে! ভিটামিন এ সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে চোখের খেয়াল রেখে এবং ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি করে। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে সতেজ থাকে চামড়া! বয়স দেয় কমিয়ে! এবার বুঝলেন তো! মোটা বন্ধু কে আর যা বলে ক্ষ্যাপান না কেনো! কুমড়ো বলবেন না কখনো।
কেমন চাষ হয়েছে বা ফলন কেমন! তা জানতে আমরা পৌঁছেছিলাম নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের গয়েশপুর পঞ্চায়েতের হিজুলি গ্রামে! চাষিরা জানান ফসল ভালো হলেও সরকারি সংরক্ষণের, যথেষ্ট ব্যবস্থা না থাকার কারণে, পচে যাচ্ছে কুমড়ো। অন্যদিকে জেলা এবং জেলার বাইরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পাইকারি বাজারের আড়ৎ গুলিতে ক্রেতার সংখ্যা কম থাকায়, গাড়ি ভাড়া উঠছে না! ৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা, এই ফসল বেশি দিন রাখা সম্ভব হচ্ছে না, তারমধ্যে বর্ষা নেমে গেছে।

Leave a Reply