মমতাময়ী “মা ” ছোট্ট শ্রেয়সী কাজ করে চলেছে নি:শব্দে মানব কল্যাণে

Social

প্রীতম ভট্টাচার্য : মাতৃদিবস ও সেবাদিবস পালন হলো খুব ঘটা করে। সত্যি বছরে একবার করে সুযোগ আসে মা কে একটু অন্যরকমভাবে শ্রদ্ধা জানাতে।তিনি যে আমাদের জীবনে কত দায়িত্বপালন করেন তা অপরিসীম। আর যে মায়েরা সারাজীবন অন্যের সেবায় ব্যাস্ত থাকেন। সত্যি তাদের কথা আড়ালেই থেকে যায়। এদেশে যেমন গান্ধারী আছে আবার কুন্তীও।আবার এদেশে মেয়েদের প্রতিদিন নানা নির্যাতনের স্বীকার হতে হচ্ছে,কন্যা সন্তান মানেই গোপনে ভ্রুন হত্যা।আজ এক অন্য মেয়ের গপ্পো- বয়স ২৪ বছর, মা,বাবার একমাত্র কন্যা।

মা ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের একটি ছোট্ট মুখ শ্রেয়সী হাজরা, অন্ডাল, দক্ষিণখন্ডগ্রাম, পশ্চিম বর্ধমানের মেয়ে বিনামূল্যে ফুডব্যাঙ্ক করে তাক লাগিয়েছে গোটা অন্ডালে। বাবা, মা – এর সাহায্যে গড়ে তুলেছে গরীব দু:স্থ বাচ্চাদের জন্য ফুডব্যাঙ্ক, জামাকাপড় বিতরণ,রাস্তার পশুদের দুবেলা খাওয়ানো থেকে তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব। এই অতিমারীর সময়ে দু:স্থদের রান্না খাবার পৌঁছে দিচ্ছে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে। এছাড়াও প্রতিদিন তার এই অর্গানাইজেশন দু:স্থ বাচ্চাদের আঁকা,গান,নাচ,কম্পিউটার,পড়ানোর পাশাপাশি আরো প্রশিক্ষন দেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তাদের সাবলম্বী করতে।

শ্রেয়সীর কথায় “বেশী শিক্ষিত সমাজ আজ ব্যস্ত , তারা জানেন পরিবেশের কিভাবে ভারসাম্য নষ্ট করতে হয়, তবে অনেক স্বহৃদয় ব্যক্তি আছেন যারা রক্ষাও করেন । মানব জীবনের সেবায় আমি নিজেকে উৎসর্গ করতে পেরে অসময়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি খুব আনন্দ পাই। নিজে নিরামিষ খাই,কিন্তু ওদের মুখে একটু আমিষ তুলে দিতে পেরে আজ আমি খুব খুশী।ছোটো ছোটো মুখ গুলোকে একটু আনন্দ দিতে পেরে আমার খুব ভালো লাগে”।

কুর্ণিশ শ্রেয়সীকে, এরকমভাবে বেঁচে থাকুক শ্রেয়সীরা, আজ পৃথিবীর বুকে ওদের খুব প্রয়োজন।

Leave a Reply