এখন রাজ্য জুড়ে চলছে ‘উৎসব মরসুম’। তার ই মধ্যে টিজিটি স্কেলের দাবীতে লড়তে থাকা “বৃহত্তর গ্র্যাজুয়েট টিচারস এসোসিয়েশান” সংক্ষেপে বিজিটিএ জারী রেখেছে মিছিল, পথসভা, বিক্ষোভ কর্মসুচী প্রভৃতি। বিজিটিএ রাজ্য কমিটি আগামী ১৮ ই অক্টোবর আন্দোলনের পীঠস্থান পূর্ব মেদিনীপুরে টিজিটি স্কেলের দাবী তে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ডেপুটেশনের ডাক দিয়েছে। সেই মত পূর্ব মেদিনীপুরে এখন সাজো সাজো রব। জেলা নেতৃত্ব সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছেন যাতে ঘোষিত এই আন্দোলনে কোন প্রকার খুঁত না থাকে। পুর্ব মেদিনীপুর জেলা নেতৃত্ব ও বিজিটিএ রাজ্য কমিটির মেম্বার শাশ্বতী মাইতি ও রত্নদ্বীপ সামন্ত বলেন, ” আগামী ১৮-১০-২০১৯ তমলুকের মানিকতলা মোড়ে ডি আই অফিস এর সামনে এক মহা বিক্ষোভ সমাবেশ এর আয়োজন করা হয়েছে।
তার আগে তমলুক রাজগ্রাউন্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হবে। মিছিল শেষ হবে বিক্ষোভ মঞ্চে এসে। এর পর বিকাল ৩-৩০ মিনিট নাগাদ পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বিজিটিএ’র একটি প্রতিনিধি দল ডি আই অফিসে গিয়ে হাই কোর্টের জারী করা রিট অফ ম্যান্ডামাস মেনে গ্র্যাজুয়েট টিচারদের টিজিটি স্কেল দেওয়ার ব্যাপারে ডি আই সাহেব কে ডেপুটেশন দেবেন,এবং বে আইনী স্টাফ প্যাটার্ন এর বিরোধিতা করবেন।শাশ্বতী মাইতি জেলার সমস্ত গ্র্যাজুয়েট টিচারদের এই কর্মসুচী তে যোগদানের আহবান জানিয়ে বলেন, ” সরকার যেন মনে রাখে যে এই গ্র্যাজুয়েট টিচারাই বহু স্কুলে এগারো বারো’র সেকশনগুলি ধরে রেখেছে। তাদের এই অমানবিক বঞ্চনা পূর্ব মেদিনীপুর অন্তত মেনে নেবে না। এই পুর্ব মেদিনীপুর জেলা বহু বিপ্লবের জন্ম দিয়ে চুড়ান্ত সফলতায় পৌঁছে দিয়েছে। সরকার যদি অবিলম্বে গ্র্যাজুয়েট টিচারদের জন্য ৯০০০-৪০৫০০ ও গ্রেড পে ৪৬০০ চালু না করে তাহলে পূর্ব মেদিনীপুরের বুকে বিপ্লবের এমন অনেক আগুন জ্বলবে।”
বিজিটিএ’র সাধারণ সম্পাদক শ্রী সৌরেন ভট্টাচার্য বলেন আমরা গনতন্ত্রে বিশ্বাসী, গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমাদের দাবী আদায় করব। প্রয়োজনে আমাদের অগণিত গ্র্যাজুয়েট টিচার গনতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন। এখন বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ কর্মসুচী চলবে, আর পুলিশের ‘উৎসব মরসুম’ উঠে গেলেই কলকাতার বুকে আন্দোলনের আগুন জ্বলবে।”