মলয় দে নদীয়া:- গত ২২ শে মার্চ রবিবার থেকে লকডাউন হওয়ার পর স্বভাবতই বেশ কিছু ক্রেতার নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহারিক দ্রব্যাদি মজুত রাখার ফলে তৈরী হতে চলেছিলো কৃত্তিম সংঙ্কট। স্থানীয় বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য্য প্রথমেই বাজার নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাংসদ জগন্নাথ সরকার গতকাল বাজার পরিদর্শন করেন। ফলে মজুদদারদের কালোবাজারি খানিকটা হলেও নিয়ন্ত্রণে এসেছে কিন্তু প্রাত্যহিক যোগানের চাল বিচুলি মূলত আছে গঙ্গা পেরিয়ে বর্ধমান থেকে লকডাউন এ জনপদ বন্ধ হওয়ায় পরিস্থিতি গুরুতর হচ্ছিল আরও।
এই বিষয়ে বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য জানান জেলা পরিদর্শক বিভু গোয়েল কে। স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি সুমন দাস বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রধান কে সাথে নিয়ে আজ সকাল সাতটা নাগাদ পাঁচটি ২২ টি ভ্যান এবং ১৮ টি চালভর্তি ভ্যান দুবারে বোর্ডে পারাপার হয় বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য জানান শুধু আজ নয় এখন থেকে নিয়মিত প্রতিদিন সকালে প্রয়োজন মাফিক বিচুলি, আলু, চালু, মিলবে সুলভ মূল্যে ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে সাবধানতা বার্তা দেন কালোবাজারি প্রসঙ্গে।
প্রতি কেজি আলু কুড়ি টাকা, ৬৫ টাকা কাহন বিচুলি এবং ন্যায্য মূল্যে চাল বিক্রির নির্দেশ দেন। স্বভাবতই এই সংকটময় মুহূর্তে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে গৃহবন্দী সাধারণ মানুষের।