মলয় দে নদীয়া :-২ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণার পরেও মেলেনি খোঁজ! অবশেষে গঙ্গায় ভাসমান মৃতদেহ উদ্ধারের পর কান্নায় ভেঙে পড়ল পরিবার।
নদীয়ার মায়াপুর নদীতে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এক কলেজ ছাত্রের ৮ দিন পর রবিবার সকালে দেহ উদ্ধার হয়। পূর্বস্থলী ১ পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত নসরতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জ্বালুইডাঙ্গা ভাগীরথী ঘাটে রবিবার সকালে ছাত্রটির দেহ ভাসতে দেখেন মৎস্যজীবীরা। মৃত ছাত্রের পরিবারের এলাকায় সাঁটিয়ে যাওয়া পোস্টার দেখে মৎস্যজীবীরা ফোন করেন মৃতের পরিবারের লোকজনকে। সুদূর খড়গপুর থেকে ছুটে এসে ছাত্রের পরিবারের লোকজন মৃতদেহ সনাক্ত করেন।
খবর পেয়ে নাদনঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ বর্ধমান মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। মেদিনীপুর সিটি কলেজের ইংরেজিতে অনার্সের প্রথম বর্ষের মেধাবী ছাত্র রোহিত শর্মা (১৯) গত ২২ শে সেপ্টেম্বর বন্ধুদের সাথে খড়্গপুরের বাড়ি থেকে রওনা দেয় মায়াপুর ইসকনের মন্দির দর্শনের উদ্দেশ্যে। ২৩ শে সেপ্টেম্বর বন্ধুদের সাথে নদীতে স্নান করতে নেমে রোহিত শর্মা নিখোঁজ হয়ে যায়। তারপরেই তার পরিবারের লোকজন মায়াপুর থেকে সুদূর কালনা পর্যন্ত বিভিন্ন ঘাটে ঘাটে রোহিত শর্মা নিখোঁজের পোস্টার মারেন। তাতে ফোন নাম্বার দিয়ে আবেদন করা হয় রোহিত শর্মার খোঁজ পেলেই দয়া করে যেন বাড়িতে ফোন করেন। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে জালোইডাঙ্গা গ্রামের মৎস্যজীবীরা রোহিত শর্মার বাড়িতে মৃতদেহ ভেসে ওঠার খবর দেন। মৃতদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার গোটা এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া । তবে বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ এর মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খুঁজে বেড়াচ্ছে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।