মলয় দে নদীয়া:- শান্তিপুর হরিপুর পঞ্চায়েতের নৃসিংহপুর উত্তর কলোনীর নমিতা সরকার এবার পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী। পরপর দুটি বারে প্রধান হলেও , দলের নির্দেশে গতবার সামলেছিলেন মহিলা সংগঠন । এবারে পঞ্চায়েত সমিতিতে পদপ্রার্থী হিসেবে লড়াই করার দায়িত্ব দিয়েছে দল। যদিও নমিতা দেবীর মতে বিজেপির ভুল বোঝানোর ফলে কিছু সমর্থক থাকলেও সিপিএম বা কংগ্রেস এই এলাকায় কোনো প্রভাব পড়ে না। তবে তৃণমূলকে পরাজিত করতে তারা ঐক্যবদ্ধ হলেও তা ফলপ্রসু হবেনা। তপশিলি অধ্যুষিত এলাকায় তিনিও তপশিলি অন্তর্ভুক্ত। আজ সকাল থেকেই, ৭৫ নম্বর অংশের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গতবারের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য গোপাল মজুমদারকে সাথে নিয়ে অন্যান্য দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে সকাল থেকেই বেরিয়েছেন প্রচারে। এলাকার অধিবাসীদের কর্মস্থল ধান সিদ্ধ শুকনো করার পাড়ন, তাঁত শ্রমিকদের কারখানায় ভোট প্রার্থনা করতে দেখা গেলো তাদের।
এ প্রসঙ্গে গোপাল মজুমদার বলেন, একদিকে মা মাটি মানুষের সরকারের উন্নয়ন অন্যদিকে বিজেপির মূল্যবৃদ্ধি বেসরকারিকরণ ধর্মীয় বিভাজন ১০০ দিনের কাজের প্রাপ্য টাকা থেকে বঞ্চিত মানুষজন প্রস্তুত রয়েছে এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের যোগ্য জবাব দিতে।
জেলা পরিষদের প্রার্থী রিক্তা কুন্ডু বিদায়ী বোর্ডের সভাপতি হিসেবে যে উন্নয়ন করেছেন, এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিভিন্ন ধরনের জনমুখী প্রকল্প তাদের কাজ অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। শুধুমাত্র মানুষের কাছে গিয়ে আরো একবার মনে করিয়ে দেওয়া ছাড়া বিশেষ কোনো প্রচার খুব বেশি প্রয়োজন নেই। এই অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া বিরোধীদের কোনো স্থান নেই। তাই আবারো হরিপুর পঞ্চায়েত থাকবে তৃণমূল কংগ্রেসের দখলেই।
