মলয় দে, নদীয়া:- বাংলা রামায়ন রচিয়তার আদি কবি কৃত্তিবাস ওঝার জন্মস্থানকে স্মরণে রেখে শান্তিপুর রেলওয়ে স্টেশনের ঠিক পরের স্টেশনের নামকরণ করা হয় বাথনা কৃত্তিবাস স্টেশন৷ অতীতে ঐ অঞ্চলে লোক সংখ্যা কম থাকলেও ধীরে ধীরে জন বসতি বাড়তে থাকে৷ তাই শান্তিপুর ফুলিয়ার মাঝে একটি স্টেশন তৈরী করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে৷ নতুন স্টেশন গড়ে উঠায় ধীরে ধীরে স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বিরাট বিরাট আম বাগান কেটে নতুন নতুন জন বসতি গড়ে উঠে৷ ফলে কোলকাতা বা শহরতলির সাথে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম রেলের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়তে থাকে৷ এদিকে বাথনা স্টেশনে খুব বেশী ট্রেন না দাঁড়ানোর স্থানীয় স্তরে দাবী উঠে ট্রেন থামানোর সংখ্যা বাড়ানোর৷ পাশাপাশি স্টেশনের টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে যিনি থাকেন তার বিরুদ্ধেও বিস্তর অভিযোগ করেন এলাকাবাসী৷ স্থানীয় বাসিন্দা অসিত দত্ত বলেন যে, ঐ ব্যক্তির জন্যই নাকি যাত্রীরা নিয়মিত টিকিট পান না ফলে মাঝপথে ফাইন দিতে হয় অনেককে৷ এছাড়া স্টেশনে পানীয় জল, পায়খানা বাথরুম ঠিক না রাখা সহ কোন উন্নয়নই নাকি হয়না৷ তাই তাকে অপসরণের দাবি উঠে৷ তাদের দাবী পৌঁছায় রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকারের কাছে৷
আজ সাংসদ জগন্নাথ সরকার বাথনা স্টেশনে এসে কয়েকটি ঠ্রেন থামিয়ে ট্রেনের গার্ডকে জানান ঐ স্টেশনে ট্রেন দাঁড় করানোর কথা৷ জগন্নাথবাবু আরো বলেন যে, এ বিষয়ে তিনি শিয়ালদহের ডিআরএমের সাথে কথা বলেছেন৷ বাথনা স্টশনের হল কালেকটর সত্যপ্রিয় দাস বলেন যে, তিনি রেলের স্টাফ নন৷ হল কনট্রাকটর হিসাবে তার সাথে আজীবন চুক্তি রেলের৷ টিকিট বিক্রির ওপর কমিশন পান তিনি৷ কিন্তু বর্তমানে তিনি বয়সের ভারে ক্লান্ত৷ তাই তিনি এই দায়িত্বভার ছাড়তে চান৷