রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস পালন চাপড়া বাঙ্গালঝি মহাবিদ্যালয়ে 

Social

প্রীতম ভট্টাচার্য্য: ২২শে শ্রাবণ ১৪২৯ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮১তম প্রয়াণ দিবসে চাপড়া বাঙ্গালঝি মহাবিদ্যালয়ে এক স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষাকর্মী এবং অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের অংশগ্রহণে কবিগুরুর ৮১তম প্রয়াণ দিবসের অনুষ্ঠান খুব নিষ্ঠার সাথে পালন করা হয়। বিগত দিনগুলিতেও চাপড়া জনপদের এই মহাবিদ্যালয় একাধিক বরেণ্য ব্যক্তিদের স্মরণ করেছে। জুলাই মাসে তারা কৃষ্ণনগরের ভূমিপুত্র দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ১৬০তম জন্মদিবসের অনুষ্ঠানও বেশ সমারোহে পালন করেছেন। এবার তারা করলেন রবি ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসে স্মরণানুষ্ঠান। কলেজ উদ্যানে স্থাপিত কবিগুরুর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্বাগত ভাষণ রাখেন মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ড. নিরঞ্জন গুহ। উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক চিরঞ্জিত প্রামাণিক। এদিনের অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপিকা গার্গী সেনগুপ্ত। তার আলোচনার বিষয় ছিল ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানে আধ্যাত্ম চেতনা’। চাপড়া বাঙ্গালঝি মহাবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২০১৯ সালে নদিয়া জেলার ঐতিহ্যগুলিকে তাদের নদিয়া কক্ষে একত্রিত করে কলেজে একটি স্থায়ী প্রদর্শনী কক্ষ তৈরি করেছেন। এদিনের অনুষ্ঠানও মহাবিদ্যালয়ের সেই বিশেষ প্রদর্শনী কক্ষে হয়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮১তম প্রয়াণ দিবসের অনুষ্ঠানে কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে এবং গান, আবৃত্তি পরিবেশন করে। ছয়জন শিক্ষকের ভাষ্যপাঠ অনুষ্ঠানকে বিশেষ মাত্রা দেয়। । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮১তম প্রয়াণ দিবসের সমগ্র অনুষ্ঠানের পরিচালনায় ছিলেন কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক দীপাঞ্জন দে। তিনি বলেন যে, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের প্রাণের মানুষ। তাঁর সাথে আমাদের এই জনপদ এবং এখানকার ভূমিপুত্রদের যোগাযোগের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো।” বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবসের অনুষ্ঠান এভাবেই পালন করে চাপড়া বাঙ্গালঝি মহাবিদ্যালয়। অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে ছিল সমবেত কন্ঠে রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন।

Leave a Reply