রমিত সরকার,নদীয়া: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ যখন আছড়ে পড়ে তখনই মাইকিং করে প্রচার চলেছিল পাশে আছে আপনাদের কাউন্সিলর।
বাড়ির কেউ করোনা আক্রান্ত, বাড়িতে বাজার করার কেউ নেই, খাবার প্রয়োজন, অক্সিজেন দরকার ফোন করুন। ওয়ার্ডের পাড়ায় পাড়ায় হেল্পলাইন নাম্বার দিয়ে লাগিয়ে দেওয়া হয় ফ্লেক্স।
যেমন কথা তেমন কাজ তিনি ও তার দলের সদস্যরা দীর্ঘ একমাস ২৪ ঘন্টা বিনামূল্যে অক্সিজেন সরবরাহ করছেন, প্রতিদিন কমিউনিটি কিচেন, বিনামূল্যে সবজি ও ফল প্রদান , আক্রান্তের বাড়ি ও তার চারিপাশের বাড়ি মাঝে মধ্যেই স্যানিটাইজেশন, মাস্ক ও প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ। এমনকি তিনি নিজে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আক্রান্তদের খোঁজ নিচ্ছেন।
নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরের ১৫ নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর দিলীপ দাস এমন ভাবেই করোনা আক্রান্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। ওয়ার্ডের বাসিন্দারা কোনো সমস্যায় পরলেই হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করছেন।হেল্পলাইন নাম্বার দিবা-রাত্র খোলা থাকছে বলে জানান ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা।
ওয়ার্ডের একজন বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক জানান ” বাড়িতে আমরা তিনজন করোনাতে আক্রান্ত হই। হঠাৎ করে আমার মা অজ্ঞান হয়ে যান, কী করব ভেবে পাচ্ছিলাম না সঙ্গে সঙ্গে কাউন্সিলর এর কাছে বিষয়টি জানাই। অ্যাম্বুলেন্স থেকে শুরু করে হাসপাতালে ভর্তি পর্যন্ত পুরোটাই ওনার তত্ত্বাবধানে হয়েছে”।
ওয়ার্ডেরই একজন প্রবীণ নাগরিক জানান “করোনাকালীন পরিস্থিতিতে প্রাক্তন কাউন্সিলর দিলীপ দাস যেভাবে মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন তা শহরের বুকে দৃষ্টান্ত”।