উড়ান”-এর বিশ্ব সঙ্গীত দিবস

Social

সোশ্যাল বার্তা: ভাষা, কাল, সীমানার গণ্ডি পেরিয়ে অনলাইনে সম্পন্ন হল উড়ান এর “মিউজিক্যালি ইউরস” – গ্লোবাল মিউজিক সামিট।

জন্ম লগ্ন থেকেই নদিয়া জেলার এই সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিটি কাজে দিয়েছে নতুনের স্বাদ। গত একুশে জুন উড়ান এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজের এই লাইভ প্রোগ্রামে হাজির হন পাঁচটি দেশের ছয় জন আন্তর্জাতিক সঙ্গীত শিল্পী।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই উড়ান এর পক্ষ থেকে সঞ্চালক কবি ও সমাজকর্মী অনুপ বিশ্বাস জানিয়ে দেন উড়ান এর সামগ্রিক কর্মকান্ড নিয়ে, এবং পরিচয় করান দেশ বিদেশের সমস্ত শিল্পীর সাথে। সুদূর গ্রিস এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন থিওলোগাস অ্যানাগনস্টোপুলাস, ইউ.এস.এ থেকে ছিলেন নাদীম আমিন, বাংলাদেশ থেকে আকাশ দাস রিঙ্কু, ইন্দোনেশিয়া থেকে কাকে খোলিস এবং ভারতবর্ষের সিকিমের আদিত্য প্রধান ও কলকাতা থেকে ছিলেন প্রবীর বিশ্বাস। উপস্থিত সমস্ত অতিথিরা নিজের নিজের স্থানীয় সুর, গান ও বাদ্যযন্ত্র দিয়ে পরিবেশন করেন নিজেদের সৃষ্টি একের পর এক। তৈরি হয় অদ্ভূত এক মাদকতা, যেখানে ভাষা কোনো বাধা নয় , নেই কোনো তারকাঁটা, বেড়া জাল নেই, নেই কোনো বর্ণ-ধর্মের বিভেদ। ভাষা সেখানে একটাই, সুর – সঙ্গীত । আর তা দিয়েই তাঁরা বলেন মানবতার কথা, ভালো থাকার কথা । গানের ফাঁকে ফাঁকে আলোচনায় উঠে আসে একটাই কথা “music has no language, music has only its own language” ।

কেনো এই আয়োজন করা হল বা কি কি অসুবিধা ছিল এ বিষয়ে আয়োজক সংস্থা “উড়ান” এর অনুপ বিশ্বাস কে জিজ্ঞেস করা হলে উনি বলেন, “আসলে এরকম পরিকল্পনার আলাদা করে কোনো কারণ নেই, বিশ্ব সঙ্গীত দিবস পালন করতে হলে, কি রকম হওয়া উচিত সেটায় আমরা করতে চেয়েছিলাম উড়ান এর সকল ভালোবাসার মানুষদের জন্যে । তাই এই আয়োজন, আর উড়ান এর সকল ইভেন্ট এ নতুন কিছু ছাপ থাকে, এটা তারই অংশ। আর বাধা বলতে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন মানুষ, সেখানে ভাষা গত সব বিভেদ গানের মাধ্যমে কাটিয়ে উঠলেও নেটওয়ার্ক একটা বড় ইস্যু ছিল। যদি ও দিনের শেষে এটুকু বলা যায় মানুষের কথা অনুযায়ী অসম্ভব ভালো ইভেন্ট হয়েছে। আর এত মানুষ লাইভ এ উপস্থিত থেকে, প্রোগ্রাম শুনে এবং কমেন্ট করে যে একটা ইতিহাস তৈরি করবেন ভাবতে পারি নি। ” আসলেই তাই, ‘উড়ান’ এর এই আয়োজন নিয়ে গর্বিত কৃষ্ণ নগর শহর তথা জেলা তথা রাজ্যের উড়ানকে ভালোবাসার সব মানুষ।

Leave a Reply