শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কে উপেক্ষা করেও সহযোগিতা নিয়ে, প্রান্তিক সদস্যদের পাশে

Social

মলয় দে নদীয়া:- কেউ শুনতে পান না ভালো করে, কেউবা জন্মান্ধ, অনেকে হাতে পায়ে বল পাননা চলেন হুইলচেয়ার ট্রাইসাইকেল ক্রাচে ভর করে। কিন্তু তাতে কী এসে যায় বাড়িতে বসেই সকলের গড়ে তোলা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের পরিচিত বিত্তশালী প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব দের অনুরোধ করে জোগাড় হলো চাল-ডাল সোয়াবিন আলু সরষের তেল সহ বেশকিছু খাদ্যদ্রব্য। তা নিয়ে সোজা পৌঁছে গেল বাগআঁচড়া অঞ্চলে।

আজ নববর্ষ! শুভ টা উঠে গিয়ে আতঙ্কের ছাপ এ হয়েছে “করনাবর্ষ”। বিগত বছরের এই দিনটি পালন হয়েছিল সকল প্রতিবন্ধী একসাথে গঙ্গা স্নান, স্থানীয় সিদ্ধেশ্বরী মাতার পুজো দর্শন, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে মিলে শোভাযাত্রা, বিকালে গান কবিতা আবৃতি কত কিছু! সবটাই ইতিহাস হয়েছে এবছর, আবার এবছর যেটা হচ্ছে সেটা হয়তো আগামীর ইতিহাস।

শান্তিপুর ডাকঘর তামা চিকাঁপারার অফিসে নিয়মিত বিশেষভাবে সক্ষম বাচ্চাদের পড়াশুনো গান-বাজনা ছবি আঁকা সবটাই বন্ধ লকডাউন এর জেরে। এমনকি সন্ধ্যেবেলায় শান্তিপুর ব্লকের বিভিন্ন প্রান্তে সমস্যাসঙ্কুল প্রতিবন্ধী আসতেন বিভিন্ন সহযোগিতার জন্য তাও গৃহবন্দির কারণে বন্ধ। শুধু খোলা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপটা। তাতেই আলোচনার মাধ্যমে আয়োজন আজকের।
নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে লাইন, ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, তারপর প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্য বিতরণ কিছু আর্থিক ভাবে পিছিয়ে যাওয়া প্রতিবন্ধকতখ যুক্ত সদস্যদের। বিগত বছরগুলিব স্মৃতি চেপে রেখেই হাত ধুইয়ে একটি মিঠাই দিয়ে “শুভ নববর্ষ”সবার মঙ্গল হোক।

Leave a Reply