লজের জন্য পাড়ার লজ্জা! নাবালক নাবালিকাদের মধুচক্র হাতেনাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিল এলাকাবাসী,লজ বন্ধের দাবিতে গণস্বাক্ষর

Social

মলয় দে নদীয়া :  নদীয়ার শান্তিপুরের ডাবরে পাড়া প্রান্তিক লজে আবারো নাবালিকা মেয়েদের নিয়ে এসে মধুচক্র চালানোর অভিযোগ এলাকাবাসীর, গতকাল হাতেনাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয় উত্তেজিত জনতা। ওই লজের মালিক প্রকাশ দেবনাথ একসময় থানার গাড়ি চালাতো সেখানে গাড়ি ভাড়া দেওয়া রয়েছে আর সেই কারণেই হয়তো এত ঔদ্ধত্য এমনটাই জানাচ্ছেন এলাকাবাসীরা কারণ হিসেবে তারা বলছেন এর আগেও একবার এভাবেই হাতেনাতে ধরে দেওয়া হয়েছিল পুলিশের কাছে তবে জামিনের মুক্ত হয়ে এসে আবার পাড়ার পরিবেশ নষ্ট করে সেই অবৈধ ব্যবসা।

ছোট ছোট ঘর হলেও মাত্র দুই এক ঘন্টার বিনিময়ে মোটা টাকা পেয়ে থাকে তাতেই নাবালক নাবালিকাদের আনাগোনা লেগেই থাকে তা সে দিন হোক কিংবা রাত। একদিকে তোপখানাপাড়া লেন অন্যদিকে, ডাবরে পাড়া নতুনহাট সংলগ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি পাড়ার কোন বদনাম নেই শুধুমাত্র এই লজ ছাড়া। লজ ই এখন তাদের কাছে লজ্জার হয়ে দাঁড়িয়েছে, প্রবীণরা এবং মহিলারা জানাচ্ছেন মাথা নিচু করে চলাচল করতে হয়, শুধু একটি পরিবারের অবৈধ ব্যবসার মুনাফার কারণে। এ বিষয়ে স্থানীয় ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে বলেও লাভ হয়নি, মীমাংসার জন্য তার ছেলে এসেছিল, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সেও চলে গেছে। হবে এলাকার সকল মা মানুষজন এবার জোটবদ্ধ হয়েছেন গণস্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এই লজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধের জোরালো আবেদন করবেন তারা। প্রয়োজন হলে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হবেন।

তবে এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত প্রকাশ বাবু অবশ্য তার দোষ অস্বীকার করে বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বামী-স্ত্রী আসেন কাপড় কিনতে, তবে তাদের পরিচয় পত্র কিংবা রেজিস্টার্ড খাতায় নাম লিপিবদ্ধকরণ এবং সম্পর্কের কাগজপত্র কিছুই দেখাতে পারেননি তিনি। লজের সামনের দিকে হইহট্ট গোল চেঁচামেচির মধ্যে দিয়েই পেছন দিয়ে এক নাবালিকাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে প্রকাশ বাবুর মা আর তখনই উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে ফেলে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তারা জানাচ্ছেন মা-বাবা রীতিমতন ছেলের এই মধুচক্রের ব্যবসাতে সহযোগিতা করে।

উত্তেজিত জনতা আপত্তির জনক অবস্থায় প্রথমেই শান্তিপুরের এক যুবককে আপত্তিজনক অবস্থায় ধরে লজেরই একটি ঘরে আটকে রেখেছিল। পুলিশ আসার পর তাকেও পুলিশের হাতে তুলে দেয়। উত্তেজিত কর পরিস্থিতির মধ্যে থেকে নাবালক নাবালিকাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় শান্তিপুর থানার পুলিশ, লজের রেজিস্টার এবং অন্যান্য পরিচয় পত্র সব সঠিক আছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখছে শান্তিপুর থানার পুলিশ অন্যদিকে এলাকাবাসীরা গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে ওই লজ বন্ধের দাবিতে আবেদনপত্র জমা দিতে চলেছে বলে জানা যায়।

Leave a Reply