সোশ্যাল বার্তা: নদীয়ার কৃষ্ণনগরের ম্যাক ( মাউন্টেইনারিং এসোসিয়েশন অফ কৃষ্ণনগর) এর দুই জন সদস্য রুম্পা দাস ও অসীম কুমার মন্ডল পাড়ি দিচ্ছেন মাউন্ট এভারেস্টে। ৩১ শে মার্চ তাদের যাত্রা শুরু। হাওড়া থেকে মিথিলা এক্সপ্রেসে। এপ্রিল মাসের ৪ তারিখ থেকে তাদের হাঁটা শুরু হবে লুকলা নামক স্থান থেকে।
রুম্পা দাস নদীয়ার কুপার্স ক্যাম্প কলোনি উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষিকা। মাউন্ট এভারেস্ট যাওয়ার আগে বেসিক এবং অ্যাডভান্স কোর্সগুলি তিনি সম্পন্ন করেছেন। এখনো পর্যন্ত ১২ টি মাউন্টেইনারিং এক্সপিডিশনে তিনি শামিল হয়েছেন।
রুম্পা দাস জানান,মাউন্ট এভারেস্ট এক্সপিডিশনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ঝুঁকি। প্রস্তুতি চলেছে অনেক দিন ধরেই।
২০২১ সালে রুম্পা দাস মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করার জন্য পাড়ি দিয়েছিলেন কিন্তু পর্বত শৃঙ্গের শিখর ছুঁতে পারেননি।সেবারে করোনা আক্রান্ত হয়ে ঘরে ফিরতে হয়েছিল। এবার আবার লড়াই শুরু। প্রচুর পরিমাণে অর্থের প্রয়োজন হয় এই এক্সপিডিশনে। প্রায় ৫০ লাখ টাকা খরচা। শিখর জয়ের উদ্দেশ্যে নিজের নামে ২০ লক্ষের ও বেশি অর্থ তিনি লোন নিয়েছেন বলে জানা যায়।
অসীম কুমার মন্ডল শান্তিপুরের বাগ আঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মী। মাউন্ট এভারেস্ট যাওয়ার আগে বেসিক এবং অ্যাডভান্স কোর্সগুলি তিনি সম্পন্ন করেছেন। ২০০৪ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত ১৪ টি এক্সপিডিশনে তিনি শামিল হয়েছেন। আর্থিক সামর্থ্য খুব একটা নেই। তবুও শিখর জয়ের জন্য নিজের জমি বিক্রি করে অর্থ জোগাড় করেছেন ।
কৃষ্ণনগর মিউনিসিপ্যালিটির সভা কক্ষে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগরের অনেক নাগরিকবৃন্দ। সংবর্ধনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন লায়নস্ ক্লাবের সদস্যরা। ভারতের জাতীয় পতাকা ও ম্যাকের ক্লাবের পতাকা তুলে দেওয়া হয় দুই পর্বতারোহীর হাতে।
নদীয়ার কৃষ্ণনগরে বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে ম্যাকের অন্যতম সর্বপ্রথম অসামরিকভাবে মাউন্ট এভারেস্ট জয়ী বসন্ত সিংহ রায় জানান, কৃষ্ণনগরের এই পর্বতারোহী ক্লাব গত বছরেও দুটি পর্বত মাউন্ট রামজ্যাক ও মাউন্ট গোরিচেন শিখর জয় করেছে। আমাদের এই দুই সদস্য এবারে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করবে এই আশা রাখি।