মলয় দে নদীয়া :-সারা ঘরে টাঙানো রংবেরঙের বেলুন, নতুন লেহেঙ্গা , মাথার মুকুট , ললিপপ, লজেন্স আরো কত কি উপহার! লুচি ছানার তরকারি সুজি তালের বড়া মালপোয়া বিভিন্ন মিষ্টান্ন নানান খাদ্য খাবার তৈরি হচ্ছে সকাল থেকেই।
গতকাল ছিলো রাধারানীর জন্মদিন। ভগবান হলেও নদীয়ার শান্তিপুর কলেজ মোড় রাধা গোবিন্দ মন্দিরের ঘরের মেয়ে সে, তাইতো ধর্মীয় উপাচার হিসেবে ঘি মধু দই সহ নানান সুগন্ধি দিয়ে স্নান করানোর পর অভিষেক। তারপর ভোগ আরতি, পুজো পার্বন অবশেষে কেক কাটা। সুজি সহযোগে বাদাম কিসমিস কাজু পেস্তা আখরোট দিয়ে বাড়িতে বানানো কেক। রাধারানী কে কোলে নিয়ে তার হাতে ছুরি দিয়ে কাটানো হলো তুলসী পাতা দিয়ে লেখা “রাধে” নামের জন্মদিনের কেক। তবে মোমবাতি জ্বালানো নেই হয়তো বহু বছরের সংখ্যার নিরিখে। একত্রে হ্যাপি বার্থডে টু ইউ রাধিকা সমোচ্চারে উচ্চারিত হলো ভক্তবৃন্দদের মুখ থেকে। কিন্তু এভাবে কেনো? সনাতনী রীতিতে এসব আছে নাকি? নিন্দুকেরা যে যাই বলুক রাধা গোবিন্দ মন্দিরের সেবাইতদের থোরাই কেয়ার।
তারা বলেন বৃন্দাবনের কোন এক প্রবীণ সেবাইত বলেছেন গোপাল ঘরের ছেলে তাকে দিয়ে ক্রিকেট ফুটবলও খেলানো যেতেই পারে। সেই রকমই রাধারানীও ঘরের মেয়ে, ধর্মীয় রীতিনীতি বজায় রেখে আন্তরিকভাবে মন থেকে ভালোবেসে মনোবাঞ্ছা পূরণ করা যেতে পারে। কেক কেটে রাধারানীর জন্মদিন আজ নতুন নয়, বিগত প্রায় কুড়ি পঁচিশ বছর যাবৎ জানালো মন্দির কর্তৃপক্ষ।