সোশ্যাল বার্তা : একদিকে করোনা মহামারীর জন্য দফায় দফায় নানান নিয়মবিধি বিধ্বস্ত দীঘা উপকূলে শুটকি মাছের ব্যবসায়ীরা অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে প্রবল সামুদ্রিক জলোচ্ছাসের জেরে দীঘা মোহনা শুটকি মাছের ব্যবসায়ীদের শুটকি মাছের ফার্ম ক্ষতিসহ প্রচুর টাকার মাছ ভেসে যায় ফলে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি সম্মুখীন হয় ব্যবসায়ীরা।
জলোচ্ছ্বাসের দীর্ঘদিন কেটে গেলেও এখনো পর্যন্ত ব্যবসায় নামতে পারেননি বেশকিছু ব্যবসায়ী। এমনকি এখনও বেশকিছু ফার্ম পড়ে রয়েছে লন্ডভন্ড হয়ে। দীর্ঘদিন দফায় দফায় লকডাউন এর ফলে ঠিকভাবে ব্যবসা করতে পারছিলেন না এই শুটকি মাছ ব্যবসায়ীরা এরপর জলোচ্ছ্বাস এর ফলে যে ধরনের ক্ষতি হয়েছে তা ঠিক করার জন্য যে পরিমাণ টাকা দরকার সেই পরিমাণ টাকা নেই ব্যবসায়ীদের কাছে । ফলে খুবই ধীর গতিতে কাজ শুরু হয়েছে শুটকি মাছের ফার্মের বাঁশের মাচা থেকে শুরু করে ছোট ছোট ট্যাংক গুলিতে।
একদিকে কাঁচা মাছের যোগান কম কিন্তু দাম বেশি অপরদিকে শুটকি মাছের বাজার মন্দা। এই শুটকি মাছ এ রাজ্য ছাড়াও আসাম, ত্রিপুরা, তেলেঙ্গানা সহ বিভিন্ন রাজ্যে ও দেশের বাইরে বাংলাদেশ এই মাছ পৌঁছায়। করোনার জেরে বিদেশে বা অন্যান্য রাজ্যে রপ্তানি বন্ধ। এছাড়াও মোহনায় এই খুচরো শুটকি মাছ বাজারে দীঘায় আসা পর্যটকরা কিনতে ভিড় জমাতে তাদেরও আর দেখা নেই। ফলে একদিকে বাজার মন্দা দীর্ঘদিন, এরপর প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতির ফলে কবে আবার আগের মত ব্যবসা ঠিক ভাবে শুরু হবে তা জানেন না ব্যবসায়ীরও।
শুটকি মাছ ব্যবসায়ী সুবিমল ওঝা জানান তার ফার্ম এর সাথে প্রায় ৩০ টি পরিবারের পুরুষ ও মহিলারা কাজ করেন, ব্যবসা ঠিকভাবে না শুরু হলে সে সমস্ত শ্রমিকরাও টাকা পাবেন না ফলে আর্থিক সংকটে পড়বেন শ্রমিকরাও।
শুটকি মাছের ফার্মের এক কর্মী সঞ্জীব গিরি জানান মালিকরা যদি না সাহায্য পায় এবং ব্যবসা ঠিক ভাবে শুরু না হলে বেতন দিতে পারবে না ফলে না খেয়েই কাটাতে হবে আমাদের, ফলে চরম সংকটে পড়েছেন তারা।
সরকারিভাবে যদি কোনো আর্থিক সাহায্য পায় তাহলেই খুব দ্রুত এ সংকট থেকে মুক্তি পাবে ব্যবসায়ী থেকে শ্রমিকরা এমনটাই আশা করছেন সকলে।