মলয় দে, নদীয়া :-রাজ্যের সর্বত্রই , ভোটের দামামা বেজে গেছে, যদিও বিজেপির এবং জোটের বেশকিছু প্রার্থী এখনো বাকি,তাই দেওয়ার লেখা বা অন্যান্য প্রচারে অনেকটাই এগিয়ে শাসকদল তৃণমূল। অভিযোগ সারাবছর সরকারি মুখাপেক্ষী হয়ে থেকেও মেলেনি সুরাহা! তাই ২০১৪ টেট উত্তীর্ণরা ট্রেনিং করা সত্ত্বেও চাকরি থেকে বঞ্চিত, অল্প সংখ্যায় হলেও চাকরি পেয়েছে বিএড ট্রেনিং প্রাপ্তরা। তাই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান তথা পলাশি পাড়ার তৃণমূল পদপ্রার্থী মানিক ভট্টাচার্যের কর্ণগোচর এবং দৃষ্টিগোচরের উদ্দেশ্যে ওই কেন্দ্রেরই বিদ্যালয় পরিদর্শক দফতরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীরা বলে জানান আন্দোলনকারীরা ।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ব্যানার নিয়ে তাদের বক্তব্য, আমরাও সরকার গঠনে অংশগ্রহণ করতে চাই তবে অবশ্যই আমাদের সমাধান হওয়ার পরে। এতদিন একজন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে, এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন, কিন্তু এবার ভোটারদের কিভাবে এড়িয়ে যাবেন! সারা রাজ্যে ১৬৫০০ সংখ্যায় হলেও, তাদের পরিবার স্বজন এবং পারিপার্শ্বিক মিলিয়ে ভোটার সংখ্যাটা কম নয়! তিনি অতীতে স্বীকার করেছিলেন, ডিএলএড চাকরিপ্রার্থীরা আমার পরিবারের মতো, সেই কথা উদ্ধৃতি করে , বিক্ষোভরত চাকরি প্রার্থীরা বলেন তার পরিবারের সদস্যরা অর্থাৎ আমাদের কি ব্যবস্থা করছেন তাই এখন দেখার! তবে সারা পলাশীপাড়া নয়, বাংলার অনেক কেন্দ্রে আমাদের কি ব্যবস্থা হয় তার উপরে অনেকটাই নির্ভর করছে। বুধবার এই ধরনের বিক্ষোভ সংঘটিত হওয়ার পর, চাপে পড়ে গেলেন পলাশীপাড়া তৃণমূল প্রার্থী বলে মনে করেন পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদরা।