নিউজ সোশ্যাল বার্তা: লক ডাউনে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত । নিজেদের বেঁচে থাকার তাগিদে অনেকেই পেশা পর্যন্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন । অনেকে বেসরকারী জায়গায় কর্মরত হলেও ঠিকঠাক বেতন পাচ্ছেন কিনা এই বিষয়ে সন্দেহ অাছে । এই প্রান্তিক মানুষদের জন্যই লক ডাউনের প্রথম দিন থেকে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে নদীয়া জেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ধুবুলিয়া স্মাইল ফাউন্ডেশন ।
রাজ্য জুড়ে রয়েছে তাদের শাখা । নদীয়ার চাকদহ বিষ্ণুপুর শাখার দায়িত্বে থাকা অর্পিতা বিশ্বাসের বাবার আজ ছিল মৃত্যুবার্ষিকী । প্রতিবছরই এই দিনটিতে কিছু না কিছু করেন তাদের পরিবার সাধারণ মানুষের জন্য । তাই তার বাবার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাতলা আদিবাসী পাড়ায় “নতুন সূর্যের আলো” অবৈতনিক শিক্ষাঙ্গনের বাচ্চা সহ তাদের পরিবার এবং পার্শ্ববর্তী ৩ টি আদিবাসী গ্রামের প্রায় ৭০০ মানুষের দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা ও সাথে ছোট বাচ্চাদের জন্য দুধ ও মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবস্থা করেন।
সমস্ত ব্যয়ভার বহন করেন, স্বর্গীয় শ্রী বিশ্বনাথ সরকারের, স্ত্রী দিপালী দে সরকার এবং পুত্র শ্রী দিব্যেন্দু দে সরকার, ও ওনাদের পরিবার ।
এছাড়াও ৪০ টি পরিবারের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয় যাদের প্রয়োজন তাদের হাতেই । পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় সামাজিক দূরত্ব মেনেই । খাবার সংগ্রহের লাইন অবৈতনিক বিদ্যালয় থেকে তাতলা বাজার অবধি চলে যায় ।
এই মহতী কর্মযজ্ঞে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর ২নং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক মাননীয় শ্রী অরবিন্দ বিশ্বাস মহাশয় ও যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক মাননীয় সোমশুভ্র মুখার্জি সহ অন্যান্যরা ।
এ প্রসঙ্গে সংগঠনের অন্যতম সদস্য লক্ষণ ব্রহ্ম বলেন “স্মাইল ফাউন্ডেশন প্রান্তিক মানুষের জন্য সারাবছর কাজ করে যাচ্ছে, এভাবেই কাজ করে যাবে । শৃংখলাবদ্ধ ভাবে আমরা কাজ করি তাই এত মানুষ হওয়া সত্ত্বেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আজকের কাজটি সম্পন্ন হল ”
তিনি ব্লকের প্রশাসনকে ও সংগঠনের সদস্যদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ।