মূর্তি উন্মোচন ও বই প্রকাশের মাধ্যমে পালিত হলো শিক্ষক দিবস

Social

সোশ্যাল বার্তা: পাঁশকুড়া থেকে ১৪ কিলোমিটার ভেতরে রেয়েছে একটি প্রত‍্যন্ত‍ গ্ৰাম নাম শ‍্যামসুন্দরপুর পাটনা।গ্ৰামটিকে প্রথমদিকে সেহারে পরিচিত লাভ না করলেও।রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষকের কর্মকাণ্ডে পরিচিতি লাভ শুরু করে।গ্ৰামটিতে আজ শ্রদ্ধেয় শিক্ষক নির্মল চন্দ্র মাইতির কর্মকাণ্ডে রয়েছে তিনটি স্কুল ও একটি মহাবিদ্যালয়।

২০১৩ সালে প্রথম ছাত্রছাত্রীদের কথা ভেবে তিনি তৈরি করলেন সিদ্ধিনাথ মহাবিদ্যালয়। গতকাল ছিলা শিক্ষক দিবস। প্রতিটি স্কুল কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই দিনটি পূর্ণ মর্যাদায় পালিত হয়। তবে সিদ্ধিনাথ মহাবিদ্যালয় এই দিনটি পালিত হলো অন্যভাবে।প্রথমে প্রভাতফেরী ও প্রদীপ প্রজ্জলন ও উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুভ সূচনা করা হয়। এরপর সিদ্ধিনাথ মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত শিক্ষক নির্মল চন্দ্র মাইতির পূর্ণ্যবায়ব মূর্তি, মহাবিদ্যালয়ের ভূমিদাতা মহান্ত রবীনাথজীর আবক্ষ মূর্তির উন্মোচন হয়।

শ্যামসুন্দরপুর পাটনা এডুকেশনাল অ্যান্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থানুকুল্যে নির্মিত হয়েছে মহাবিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের। 2য় ও 3য় তলের দ্বারোদঘাটন,পাশাপাশি নির্মল মাইতির জীবনী নিয়ে লেখা বই ‘তুমি রবে নীরবে’ প্রকাশ করেন স্বামী ইষ্টানন্দ মহারাজ।দুদিন ধরে রয়েছে একাধিক কর্মসূচি।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বামী ইস্টানন্দজী মহারাজ, জ্যোতির্ময় কর, বিধায়ক ফিরোজা বিবি,চেয়ারম্যান নন্দকুমার মিশ্র সহ একাধিক সম্মানীয় ব্যক্তিত্বরা।নাচ,গান,আবৃত্তি,তে অংশগ্রহণ করে কলেজের ছাত্রছাত্রীরা।

Leave a Reply