রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে শিক্ষাঙ্গনে শক্তিবৃদ্ধি ABRSM-এর: ২০টি জেলায় ৮৫ হাজার পড়ুয়াকে নিয়ে সম্পন্ন ‘আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় প্রতিভা অন্বেষণ অভীক্ষা ২০২৬’

Social

রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে শিক্ষাঙ্গনে শক্তিবৃদ্ধি ABRSM-এর: ২০টি জেলায় ৮৫ হাজার পড়ুয়াকে নিয়ে সম্পন্ন ‘আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় প্রতিভা অন্বেষণ অভীক্ষা ২০২৬’

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ও রাষ্ট্রবাদী সরকার প্রতিষ্ঠার পর শিক্ষাঙ্গনে নিজেদের আধিপত্য ও সক্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তুলল অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ (ABRSM)। আজ এপিসি রায় ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং আরএসএস-এর আদর্শে গড়ে ওঠা সর্বভারতীয় শিক্ষক সংগঠন ABRSM-এর সহযোগিতায় রাজ্যের ২০টি জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হলো ‘আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় প্রতিভা অন্বেষণ অভীক্ষা ২০২৬’, যেখানে চতুর্থ, পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সিলেবাস অনুযায়ী ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে প্রায় ৮৫ হাজার ছাত্রছাত্রী। শুধুমাত্র নদিয়া জেলাতেই ৩৭টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং শান্তিপুরের রবীন্দ্র বিদ্যাপীঠে ২৬৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়; যদিও উদ্যোক্তারা আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান যে বিদায়ী সরকারের আমলে গত বছর তীব্র অসহযোগিতার মুখে পড়ে কোনো সরকারি স্কুলের অনুমোদন মেলেনি এবং বাধ্য হয়ে একটি বেসরকারি স্কুলে মাত্র ৫০ জনকে নিয়ে পরীক্ষা সারতে হয়েছিল, যা নতুন জমানায় অভিভাবকদের বিপুল সাড়ায় আগামী দিনে আরও বড় আকারে আয়োজনের রূপ নিচ্ছে। বিদায়ী সরকারের আমলে শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি ও সার্বিক মূল্যায়নহীন উদাসীনতার প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে সমস্ত বিষয়ে সমন্বিত এই অভীক্ষা ছাত্রছাত্রীদের মেধা বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে দাবি করা হয়েছে এবং ব্লক, জেলা ও রাজ্যভিত্তিক সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপকদের পুরস্কৃত করা হবে। উল্লেখ্য, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলায় সক্রিয় থাকা ABRSM-এর সদস্য সংখ্যা গত বছর পর্যন্ত মাত্র ১০ হাজার থাকলেও রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তা একলাফে বেড়ে বর্তমানে ৪০ হাজারে পৌঁছেছে, যার স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে সম্প্রতি নদিয়ার কৃষ্ণনগরে জেলা সম্মেলনে অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতিতে। কেন্দ্রীয় হারে বেতন, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (DA) এবং সমকাজে সমবেতনের মতো দাবি আদায়ের পাশাপাশি শিক্ষাঙ্গনে ভারতীয় সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ তৈরি এবং জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ বাস্তবায়নই এখন রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাবান এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য হয়ে উঠেছে।

Leave a Reply