১৬ই আগস্ট ২০২৬ জনগণনার প্রথম ধাপ হিসাবে এনুমারেটরগণ তথ্য সংগ্রহের জন্য পৌছাচ্ছেন বাড়ি বাড়ি
মলয় দে: অনলাইন সেলফ-এন্যুমারেশন (Self-Enumeration) কার্যকর হলেও, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য এনুমারেটর বা তথ্য সংগ্রহকারীগণ এবার পৌঁছেছেন বাড়ি বাড়ি।
সেলফ-এন্যুমারেশন পোর্টাল: যারা আগেই অনলাইনে ফর্ম জমা দিয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে শুধু রেফারেন্স নম্বরটি যাচাই করে এনুমারেটররা নিশ্চিত করছেন। যেসব পরিবার ডিজিটাল সুবিধা পাননি বা অনলাইনে জমা দিতে পারেননি, এনুমারেটররা সরাসরি তাদের বাড়িতে গিয়ে ডিজিটাল ডিভাইসে (ট্যাব বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে) ফর্ম পূরণ করছেন।
বাসস্থানের বিবরণ: ঘরের সংখ্যা, ঘরের মেঝে ও দেওয়ালের উপাদানের ধরন (ইট, সিমেন্ট, মাটি, বাঁশ ইত্যাদি), বসতবাড়িটি সম্পূর্ণ আবাসিক নাকি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যেও ব্যবহৃত হচ্ছে তা নথিভুক্ত করা হচ্ছে।
জীবনযাত্রার মান ও সুবিধা: শৌচাগার, পানীয় জলের উৎস, বিদ্যুৎ সংযোগ, ব্যবহৃত রান্নার জ্বালানি ইত্যাদি মৌলিক বিষয় সম্পর্কিত তথ্য।
সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য: সাধারণ পরিবহন মাধ্যম (সাইকেল, মোটরসাইকেল, চার চাকা), আসবাবপত্র, ইন্টারনেট সুবিধা বা যোগাযোগের সরঞ্জামের উপস্থিতি দেখা হচ্ছে।
এই প্রথম ধাপ বা ‘হাউস লিস্টিং’ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরেই পরবর্তী ধাপে মূলত জনসংখ্যার আসল গণনা (Population Enumeration) শুরু হবে—যেখানে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের বয়স, শিক্ষা, ধর্ম, পেশা ও অন্যান্য বৈশ্বিক তথ্য বিশদে সংগ্রহ করা হবে।
তবে এ ব্যাপারে সঠিক তথ্য দিয়ে সাধারণ নাগরিকরাও সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
