রমিত সরকার, কৃষ্ণনগর: রেল পরিষেবা চালু ও কর্মসংস্থানের দাবিতে শনিবার কৃষ্ণনগর স্টেশন চত্বর থেকে করিমপুর পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু করল নদীয়া জেলা ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব। “রেল চাই, চাকরি চাই” স্লোগানকে সামনে রেখে এই পদযাত্রার সূচনা হয়। জানা গেছে, দুই দিনের এই পদযাত্রা আজ কৃষ্ণনগর থেকে শুরু হয়ে তেহট্ট পর্যন্ত যাবে এবং আগামীকাল করিমপুরে গিয়ে শেষ হবে। পদযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক অয়নাংশু সরকার।
শনিবার সকালে কৃষ্ণনগর স্টেশন চত্বরে ডিওয়াইএফআই নদীয়া জেলার উদ্যোগে এক পদযাত্রার সূচনা হয়। মূল দাবি—কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর পর্যন্ত রেললাইন চালু করা, বেলেডাঙ্গা রেলগেটসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা। এই দাবিগুলিকে সামনে রেখেই সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা “রেল চাই, চাকরি চাই” স্লোগান তুলে পদযাত্রা শুরু করেন।
পদযাত্রার উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন ডিওয়াইএফআই-এর রাজ্য সম্পাদক অয়নাংশু সরকার সহ জেলা নেতৃত্ব ও বহু কর্মী-সমর্থক। উদ্বোধনী বক্তব্যে নেতৃত্বরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেল প্রকল্পের কাজ কার্যত থমকে রয়েছে। এর ফলে সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত ও আর্থিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বড় বাধা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে যুব সমাজের কর্মসংস্থানের সংকটও ক্রমশ বাড়ছে। সেই কারণেই এই পদযাত্রার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দাবি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে চাইছে সংগঠন।
ডিওয়াইএফআই নদীয়া জেলার এক নেতা জানান, এই পদযাত্রা আজ কৃষ্ণনগর স্টেশন থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন পথ অতিক্রম করে তেহট্ট পর্যন্ত পৌঁছাবে। সেখানেই কর্মীরা রাতযাপন করবেন। আগামীকাল তেহট্ট থেকে আবার পদযাত্রা শুরু হয়ে করিমপুরে গিয়ে শেষ হবে। পথ চলার মাঝখানে বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট পথসভা ও জনসংযোগ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। তেহট্টেও একটি বড় সভার আয়োজন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
ডিওয়াইএফআই নেতৃত্বের দাবি, দীর্ঘদিনের অবহেলিত কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেল প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করা এবং যুব সমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোই এই পদযাত্রার মূল উদ্দেশ্য। আগামীকাল করিমপুরে মূল সভার মধ্য দিয়ে এই দুই দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি হবে বলে সংগঠন সূত্রে জানা গেছে।
