Social Barta: মৃতদের আত্মার শান্তি কামনা করে প্রতিবছর ২ রা নভেম্বর ‘অল সোলস ডে’ পালন করে সারাবিশ্বের ক্যাথলিক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ। আত্মাদের সদগতি লাভ ও পাপমোচনের জন্য প্রার্থনা করেন তারা। সকাল থেকেই ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশন ও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। আত্মার শান্তির জন্য কবরে ছিটানো হয় গোলাপজল।
নদীয়ার কৃষ্ণনগরের ডন বক্সো রোডে অবস্থিত সুপ্রাচীন খ্রিষ্টান সমাধিক্ষেত্রে প্রতি বছর ২ নভেম্বর ‘অল সোলস ডে’ দিনটি পালন করা হয়। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা এদিন তাদের গত হওয়া প্রিয়জনদের স্মরণে কবরগুলোতে মোম-প্রদীপ জ্বালিয়ে, ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সমবেত হন।
অল সোলস ডে ‘অলহ্যালোটাইড’ সিজ়নের অংশ। ৩১ অক্টোবর পালিত হল হ্যালোইন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নানা ভাবে পালিত হয় এই হ্যালোইন। এরপর ১ নভেম্বর পালিত হয় ‘অল সেন্টস ডে’। তার ঠিক পরদিনই পালন করা হয় ‘অল সোলস ডে’।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মহালয়ার দিন পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করেন, কিংবা ভূত চতুর্দশী পালন করেন। মুসলমানরা পালন করেন সবে বরাত। তেমনই খিস্ট্রানরা পালন করেন ‘অল সোলস ডে’।
অস্ট্রিয়ার মতো দেশে ৩০ অক্টোবর থেকে ৮ নভেম্বর টানা এক সপ্তাহ ‘অল সোলস উইক’ পালন করা হয়। আবার লাতিন আমেরিকায় ‘ডে অফ দ্য ডেড’ নামে পরিচিত ‘অল সোলস ডে’।
এ দিন সেমিট্রিতে গিয়ে প্রিয়জনের কবর ফুল দিয়ে সাজানো হয়। মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রার্থনা করা হয়। মনে করা হয়, মৃত্যুর পরও একটা জীবন রয়েছে। যাঁরা এ পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছে, তাঁরা যেন মৃত্যুর পর শান্তি থাকে, সেটাই প্রার্থনা করা হয় যীশুর কাছে।
