ভারতীয় রেড়ক্রস সোসাইটি নদীয়া জেলা শাখার উদ্যোগে, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা , চক্ষু পরীক্ষা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিপর্যয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণ শিবির ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান

Social

মলয় দে,নদিয়া: ভারতীয় রেড়ক্রস সোসাইটি নদীয়া জেলা শাখার উদ্যোগে, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা , চক্ষু পরীক্ষা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিপর্যয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণ শিবির ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান

সুস্থ সমাজ কল্যাণের লক্ষ্যে ভারতীয় রেড় ক্রস সোসাইটি নদীয়া জেলার শাখার প্রয়াস অব্যাহত । নদীয়ার হাঁসখালীর বেতনা কুঠিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মফস্বল এলাকায় যেখানে স্বাস্থ্যপরিসেবা ব্যাহত, দরিদ্র মানুষ সবদিক থেকেই পিছিয়ে পড়া কারণ অনেক অংশেই মফর সাল এলাকার মানুষেরা দুস্থ বিপর্যয় মোকাবিলা থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করবে কিভাবে পাশাপাশি অনেকের কাছেই পুজোর সময় নতুন বস্ত্র নাগালের অতীত তাদের পাশের দাঁড়াতে দায়িত্ব তুলে নিয়েছে ভারতীয় রেডক্রস সোসাইটি নদীয়া জেলা শাখা । পাশাপাশি এলাকার শিশুদের মধ্যে অঙ্কন প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয় । সফল প্রতিযোগীদের পাশাপাশি সকল অংশগ্রহণকারীকেই পুরস্কার দেওয়া হয় । সেই জন্য পিছিয়ে পড়া গ্রামে এহেন কর্মযজ্ঞের আয়োজন উদ্যোক্তাদের ।সাথে সকল মানবিক সংহথির মিলনযোগ্যে সামিল হতে সর্বদা বদ্ধপরিকর সেই লক্ষ্যে বেতনা কুঠিপাড়া পিছিয়ে পড়া গ্রাম্য এলাকায় দুঃস্থ মানুষদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বিপর্যয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণ ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সকল মানুষের সাথে মিলিত হতে ও মানব কল্যাণে লক্ষ্যে ক্ষুদ্র প্রয়াস ভারতীয় রেডক্রস সোসাইটি নদীয়া জেলা শাখার ।সমাজে এক নব দিগন্ত নিয়ে আসবে বলে মনে করেন উদ্যোগতারা।। এই অনুষ্ঠানে ৫০০ ওর বেশি মানুষ তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান । পাশাপাশি আদিবাসী পিছিয়ে পড়া গ্রাম্য এলাকায় তিনশোর বেশি দুস্থ মানুষকে বস্ত্র দান করা হয় । ভারতীয় রেডক্রস সোসাইটির নদিয়া জেলার শাখার সম্পাদিকা অর্চনার সরকার বলেন মানবিক কারণেই আমরা সারা বছর মানুষের সেবা করে চলেছি। পিছিয়ে পড়া আদিবাসী গ্রামের দুস্থ মানুষদের মুখে হাসি ফোটানোর লক্ষ্যে দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে বস্ত্রদান। পাশাপাশি রেডক্রস সোসাইটির একজন সক্রিয় কর্মী পঙ্কজ সেনগুপ্ত তিনি বলেন বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, বঙ্কিমচন্দ্রের আদর্শ আমাদের চলার পথকে সুগম করবে । পাশাপাশি তিনি বলেন বর্তমান যুবসমাজের কাছে তার আবেদন তারা মোবাইল এর মধ্যে নিজেদেরকে নিয়োজিত না করে সমাজের কথা ভেবে মানব কল্যাণে নিজেদেরকে নিয়োজিত করুক । কারণ সারা বিশ্বে রেড কস সোসাইটির মতো সংস্থা প্রতিনিয়ত কাজ করে ছেড়েছে মানবকল্যাণের সেবায় । সেবার মধ্যে যে কি আনন্দ আছে সেটা যখন মানুষ তার কাজের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ করবে তখন বুঝতে পারবে সমাজের জন্য তাদের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার কত প্রয়োজন । যেহেতু গ্রাম্য পিছিয়ে পড়া এলাকা বেশিরভাগ মানুষ কৃষিকার্যে ব্যস্ত থাকেন তার ফলে অনেক সময় অনেকেই সর্পা ঘাতে মারা যান । তাদের সচেতন করতে বিশিষ্ট চিকিৎসক রবীন্দ্রনাথ মুখার্জী বলেন ওঝা বাদ দিয়ে সাপে কাটা রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন । যে হাসপাতালে দিনরাত চিকিৎসক থাকে এবং রোগী ভর্তি করা হয় একমাত্র সেই হাসপাতালেই রোগীকে নিয়ে যেতে হবে । কারণ সেখানে সাপে কাটার ভ্যাকসিন সদা সর্বদা মজুত থাকে । রেডক্রস সোসাইটির চিরদিনের সাথী শান্তি লতা হালদার বলেন পুজোর আগে দুস্থ ও পিছিয়ে পড়া আদিবাসী গ্রামের মানুষদের হাতে পুজোর প্রাক্কালে বস্ত্র তুলে দিতে পেরে নিজেদেরকে ধন্য মনে করছেন । পিছিয়ে পড়া গ্রামের মানুষেরা দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে নতুন বস্ত্র পেয়ে খুবই খুশি ।

Leave a Reply