“আলো”: বৈদ্যুতিক নয়, ঘরে ঘরে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র

Social

মলয় দে নদীয়া :- অন্ধকার দূর করে নদীয়ার শান্তিপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ড এবং সেই সংলগ্ন ৮ নম্বর ১২ নম্বর ওয়ার্ডে র মানুষের জন্য আজ উদ্বোধন হলো “আলো” তবে এ আলো বৈদ্যুতিক নয়, ঘরে ঘরে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

কাউন্সিলর স্নিগ্ধা ব্যানার্জির এর কথা অনুযায়ী
দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর আধার কাটিয়ে অনুন্নয়নকে পেছনে ফেলে প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পথ চলা শুরু হলো আজ থেকে। ডাক্তার দিবসে বিশেষ পদক্ষেপ শান্তিপুর পৌরসভার। পৌরসভার নিজস্ব জমিতে কয়েকটি বসবাসকারী পরিবারের পুনর্বাসন দিয়ে সেখানে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরি করে সাধারণ মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসার পথ সচল করল শান্তিপুর পৌরসভা। এখান থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাস্থ্য পরিষেবা, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের টিকাকরণ, শিশুদের টিকাকরণ সহ একাধিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যাবে এই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে।

এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শান্তিপুর বিধানসভার বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী, শান্তিপুর পৌরসভার পৌরপতি সুব্রত ঘোষ, এস ডি ও রানাঘাট, স্থানীয় কাউন্সিলর এবং একাধিক সাধারণ মানুষ। এ বিষয়ে শান্তিপুর পৌরসভার পৌরপতি সুব্রত ঘোষ জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাই সারা রাজ্যের মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার জন্য নানান প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল থাকা সত্ত্বেও প্রতিটা ওয়ার্ডে এ ধরনের সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তোলাই পুরসভার লক্ষ্য যার অধিকাংশই কাজ সমাপ্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি চলছে।

অপরদিকে স্থানীয় ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্নিগ্ধা ব্যানার্জি জানান এর আগে অনেক জনপ্রতিনিধিরা ১১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছেন কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসার কথা কেও মাথায় রাখেনি। দীর্ঘ ১৭ বছরপর সাধারণ মানুষ তার উপর দায়িত্ব দিয়েছে এলাকার উন্নয়নের সেই সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শুনে শান্তিপুর পৌরসভা কে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিষয়টি জানালে তা মান্যতা দিয়ে আজ বাস্তবায়িত করেন। আর আজকের ডাক্তার দিবসের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিনে তার শুভ উদ্বোধন । যদিও পুরসভার পরিচালিত এই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক জানান সাধারণ মানুষের পরিষেবা দিতে তারা বদ্ধপরিকর এবং শান্তিপুর পৌরসভা সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যপরিসেবায় যে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র করে দিয়েছে। সেখানে তিনি একজন চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতে পেরে এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসা করানোর সুযোগ পেয়ে গর্বিত।
বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী জানান রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছেন স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প থেকে শুরু করে ওয়ার্ড স্তর পর্যন্ত এভাবে দুয়ারে চিকিৎসা একমাত্র তার দ্বারাই সম্ভব।

Leave a Reply