মলয় দে: প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংশোধনী বিধি ২০২২ অনুসারে নির্দিষ্ট মাইক্রোনের বেশি প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। কিন্তু তবুও রমরমিয়ে চলছে পাতলা প্লাস্টিকের ব্যবহার। প্লাস্টিকের দূষণের হাত থেকে পরিবেশ রক্ষার জন্য এবার রাজ্য সরকার ১লা জুলাই থেকে ৩রা জুলাই পর্যন্ত প্লাস্টিক বর্জন কর্মসূচীর আয়োজন। সেই কর্মসূচী রূপায়নে উদ্যোগী হয়েছে শান্তিপুর ব্লক প্রশাসন। শান্তিপুর ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্লকের বিভিন্ন স্কুলে সচেতনা মূলক অভিযানের ব্যবস্থা করা হয়।এ প্রসঙ্গে শান্তিপুর ব্লকের ইঞ্জিনিয়ার দেবজ্যোতি ঘোষ জানান যে, তারা ইতিমধ্যেই স্কুলে সচেতনতা মূলক প্রচারাভিযান চালানোর পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করে নিয়ে আসার উপর জোর দিয়েছেন। যেসব ছাত্রছাত্রী যত বেশি প্লাস্টিক সংগ্রহ করে আনবে তাদের উৎসাহিত করার জন্য পুরস্কারেরও ব্যবস্থা করেছেন।
দেবজ্যোতিবাবু আরো জানান যে, ছাত্রছাত্রীদের সংগ্রহ করা প্লাস্টিক তারা নিয়ে সেগুলি করে র রিসাইকেল এর জন্য পাঠাবেন। এরপর ভবিষ্যতে এইসব প্লাস্টিক ব্যবহার করে তারা রাস্তা নির্মাণ করবে। সে ব্যাপারে সরকারের নির্দিষ্ট প্রোগামও রয়েছে বলে দেবজ্যোতিবাবু জানান।১লা জুলাই বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম এবং মৃত্যুদিন উপলক্ষে ফুলিয়ার পরেশনাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা প্লাস্টিক বর্জন করার জন্য একটি র্র্যালিতে অংশ নেয়। ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অপূর্ব রায় মজুমদার জানান যে, ১-৩রা জুলাই সরকারী প্লাস্টিক বর্জন কর্মসূচীর অঙ্গ হিসাবে তারা একটি মিছিল সংগঠিত করেন। পাশাপাশি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিভিন্ন ক্লাস থেকে যেসব ছাত্রছাত্রী সর্বাধিক প্লাস্টিক সংগ্রহ করে এনেছে তাদের পুরস্কৃত করা হয়। এদিন স্কুলের সামনে একটি বৃক্ষ রোপন করে পদযাত্রা শুরু হয় বলেও জানান প্রধান শিক্ষক।
