মলয় দে, নদীয়া :- জগৎ প্রসিদ্ধ শান্তিপুরের তাঁত শাড়ি। দুর্গাপূজো থেকে শুরু হয়ে একের পর এক উৎসব শেষ হয়ে, চিরাচরিতভাবে পৌষ মাসে বেশ খানিকটা ভাটা পড়ে ব্যবসায়। তবে ব্যবসায়ীরা তাদের নিজস্ব কৌশলে, লক্ষ্মী লাভের ব্যবস্থা করে থাকেন অচল অবস্থা কাটাতে। বিশেষ করে এ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা, তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতা নিয়ে নানা ধরনের উৎসব ফুটিয়ে তোলে তাঁত শাড়িতেও। মহালয়া, অষ্টমী , শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী, বড়দিন, দোল উৎসব সংক্রান্ত বিষয় রং তুলিতে বিভিন্ন পোশাকে ফুটিয়ে তুলতে পারলেই, হট কেক বড়দিনের মতই।
নদীয়ার শান্তিপুর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের অধীনস্থ বেশিরভাগ মানুষের জীবিকা তাঁতের শাড়ি মাড় দেওয়া। শীতের রৌদ্র তাদের কাছে জীবিকার প্রধান উৎস। তাঁত শাড়ি প্রস্তুত হওয়ার পর মাড় দিতে পৌঁছায় তাদের কাছে। তার বিনিময়ে পারিশ্রমিক, এভাবেই জীবন জীবিকা বহু মানুষের। তবে তারা জানাচ্ছেন, সাগু এরারুট এ ধরনের মাড়ের বিভিন্ন উপাদানের দাম বেড়ে গেলেও কমেছে মজুরি, তবে এ বিষয়ে অবশ্য প্রচুর পরিমাণে মানুষ করোনা পরবর্তী সময়ে এ পেশায় নতুন করে নামার আবার ফলে, মজুরি হ্রাস বলে মনে করছেন তারা। তবে মজুরি কম হোক বা বেশি সংসারে খরচ যোগতে,কাজ সচল রাখতেই হবে। এলাকার মানুষজন জানালেন, সাধারণ সাদামাটা শাড়িকে এই ধরনের বিভিন্ন উৎসবের সমন্বয়ে টেকসই পাকা রং দিয়ে বড়দিনের সান্তা ক্লজ ক্রিসমাস ট্রি ছবি এঁকে অর্ডার পাচ্ছেন ভালোই।