বহু প্রাচীন হবিবপুরের কলাইঘাটা আদিবাসী এলাকার জাগ্রত মনসা মায়ের পুজোকে কেন্দ্র করে তাকে ঘিরে নানান অলৌকিক কাহিনী ও ইতিহাস

Social

মলয় দে: বহু প্রাচীন হবিবপুরের কলাইঘাটা আদিবাসী এলাকার জাগ্রত মনসা মায়ের পুজোকে কেন্দ্র করে তাকে ঘিরে নানান অলৌকিক কাহিনী ও ইতিহাস।এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষই আদিবাসী সম্প্রদায় ভুক্ত মানুষ তাদের দাবি এই পুজোটি ৫০০ বছরেরও বেশ কিছু বছর বেশি কাল ধরে এই পুজো হয়ে আসছে। এবং তাদের সাত পুরুষের অধিক সময় ধরে বসবাস কলাই ঘাটা আদিবাসী এলাকায় তাদের পূর্বপুরুষরা যখন এই এলাকায় বসবাস করত এই এলাকায় অত্যন্ত ঘণ জঙ্গল প্রবন এলাকা ছিল।

এবং বর্তমানে এই মন্দির যেখানে অবস্থান করছে  এখানে এক প্রকাণ্ড একটি বট গাছ আজো আছে এবং সেই বট গাছের নিচেই মায়ের পূজোর প্রচলন করা হয়েছিল পাচিন কাল থেকে এবং এই এলাকায় এক সময় প্রচুর সাপ পোকামাকড়ের উপোদপ ছিল এবং তাদের সেই ভয়-ভীতি দূর করার জন্যই মা মনসা দেবীর আরাধনা শুরু করা হয়েছিল।

এবং এই দেবী এখন তাদের প্রধান লোকো দেবী হিসেবে পুজিত হয়ে আসছে ৭০৩ বছর ধরে হবিপুরের কলায়ঘাটা আদিবাসী পাড়ায় আজও এই গ্রামে মহা ধুমধাম সহকারে এবং নিষ্ঠাভাবে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ এই দেবীকে ভক্তি ভোরে পূজা অর্চনা করে থাকে এই পুজোর কিছু রীতি-নীতি আছে এই পুজোর দুদিন আগে থেকে উপবাস করে এই পুজো শামিল হতে হয়।।

এবং তাদের এও দাবি এই মা নাকি খুবই জাগ্রত এবং কোন ভক্ত যদি এই মায়ের কাছে ভক্তিভরে মনোবাসনা জানান মা তাদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করেন এবং সেই মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হলে ভক্তরা কেউবা বাতসা ছেটাই কেউবা মায়ের পুজোর আনুষঙ্গিক দান করেন কেউবা মায়ের মূর্তি দান করেন এই ভাবেই চলে আসছে ৭০৩ বছর ধরে এই মায়ের পূজো। এবং এই মায়ের পূজোকে ঘিরে আজও বলি পোথাও বহাল রয়েছে এবং এই পুজোকে কেন্দ্র করে পাঁচ দিন ধরে মেলা ও বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান ও ঝাপান গান মনসামঙ্গল কাব্যের বিভিন্ন কাহিনী তুলে ধরা হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

Leave a Reply