মাছ ধরার নেশা রয়েছে? অথচ আর্থিক সঙ্গতি নেই! কোনো অসুবিধা নেই । সোজা চলে যান এই ঠিকানায় সারাদিন ধরে যত খুশি ধরুন মাছ

Social

মাছ ধরার নেশা রয়েছে? অথচ আর্থিক সঙ্গতি নেই! কোনো অসুবিধা নেই । সোজা চলে যান এই ঠিকানায় সারাদিন ধরে যত খুশি ধরুন মাছ ।মৎস্য শিকারে লাগেনা টিকিট। নিতে হয় না কারো অনুমতি। নেই মাছ ধরার কোন নির্দিষ্ট সীমানা।
হুইল, ছিপ, কিংবা জাল নিয়ে মাছ ধরার আদর্শ ঠিকানা হয়ে উঠেছে পূর্বস্থলীর ছাড়ি গঙ্গা। ছোট ছোট পুটি, টেংরার পাশাপাশি ১থেকে ১০ কেজি ওজনের রুই, কাতলা, মৃগেল, বোয়াল, শোল মাছ উঠছে হুইল ছিপে। এছাড়া হাত ছিপে ৩০০ থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের রুই, কাতলা মাছ তো আছেই। ছাড়ি গঙ্গা থেকে খালি হাতে ফিরছেন না, কোন মৎস্য শিকারি। বাড়ির সময়ে তাদের মুখে মিষ্টি হাসি।
পূর্বস্থলীর চুপি-কাস্টশালী থেকে জাহাননগর পঞ্চায়েতের মাধাইপুর ঘাট পর্যন্ত জুড়ে চলছে এই মৎস্য শিকার। তবে ছুটির দিন, কিংবা শনিবার, রবিবার ভিড় বেশি হচ্ছে।

পূর্বস্থলী ছাড়িগঙ্গার দুই মুখ পলি পোড়ে,বুজে যাবার পর। এটা এখন এলাকার বৃহৎ বদ্ধ জলাশয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূর দূরান্তের মৎস্য শিকারীরা, একাধিক ছিপ, হুইল নিয়ে চলে আসছেন পূর্বস্থলীতে। দিনের শেষে কেউ কেউ ১০ থেকে ১৫ কেজি পর্যন্ত মাছ পেয়েছেন।
তাদের দাবি, এলাকায় অধিকাংশ পুকুর মাটি দিয়ে ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এছাড়া, কারো পুকুরে মাছ ধরতে গেলে, জনপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত টিকিট কাটতে হয়। পূর্বস্থলীর চারিগঙ্গায় সেই সমস্যা নেই।বিনা টিকিটে যখন খুশি যত খুশি মাছ ধরা যায়।

Leave a Reply