আমাবস্যার রাতেই সুবিশাল আকৃতির আগমেশ্বরী মা, সুসজ্জিত হয়ে পুজিতা হন! সারারাত ভক্তসমাগমে জনপ্লাবন

Social

আমাবস্যার রাতেই সুবিশাল আকৃতির আগমেশ্বরী মা, সুসজ্জিত হয়ে পুজিতা হন! সারারাত ভক্তসমাগমে জনপ্লাবন

অবশেষে বহু প্রতীক্ষার পর সম্পূর্ণ রূপে মাতা আগমেশ্বরীর মূর্তি প্রকাশ পেল এবং শুরু হলো মহাপূজা। প্রাচীন রীতিনীতি মেনে মূর্তিতে প্রথমে রং করা, গহনা পরানো ও কেশ সংযোজনের পর সম্পন্ন হয় মায়ের চক্ষুদান ও সিঁদুর দানএবং আতর দান । সেই মুহূর্ত থেকেই ভক্তসমাজে উচ্ছ্বাসের ঢেউ— চারিদিকে ঢাকের বাদ্য, উলুধ্বনি ও শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত পুরো প্রাঙ্গণ। তবে এত আয়োজন সব এক রাতে সুবিশাল আকৃতির মা সেজে ওঠেন।

নদিয়ার শান্তিপুরের এই ঐতিহ্যবাহী পূজাকে ঘিরে এদিন মন্দির চত্বরে ভক্তদের ঢল নামে। কেউ নির্জলা উপবাসে থেকে পুজো দেন, কেউ আবার প্রণাম দিয়ে মায়ের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। মন্দির প্রাঙ্গণ যেন পরিণত হয় এক পুণ্যতীর্থে।

বিশ্বাস করা হয়, এই মাতা আগমেশ্বরী পূজা প্রায় পাঁচ শতাব্দী পুরনো — সূচনা করেছিলেন সার্বভৌম আগমবাগীশ, যিনি ছিলেন তন্ত্রসাধক ও আগমশাস্ত্রজ্ঞ। তাঁর নামেই আজও পূজা পালিত হয় বড় গোস্বামী বাড়ির বংশধর ও স্থানীয় ভক্তসমাজের উদ্যোগে।

রাত্রি জেগে চলবে পূজার্চনা, ভোরের দিকে আখ ও কুমড়ো বলির মধ্য দিয়ে শেষ হবে মায়ের পূজা। এদিন মায়ের অপরূপ রূপে ভক্তরা যেন অভিভূত, আপ্লুত।

Leave a Reply