News Social Barta: “বাগবাজার সার্বজনীন দুর্গোৎসব” এর দুর্গাপুজোর দেবী দূর্গা ও লক্ষ্মী, সরস্বতীর মুকুট কোথায় তৈরি হয় ? সেই মুকুটের উচ্চতা কত ?
বাগবাজার সার্বজনীন দুর্গোৎসব এর প্রথমে এই পুজোর নাম ছিল ‘নেবুবাগান বারোয়ারী’। ১৯২৬ সালে এই ‘নেবুবাগান বারোয়ারী’ই নাম পাল্টে হল ‘বাগবাজার সর্বজনীন দুর্গোৎসব’ কমিটি রাখা হয়।
বিশাল প্রতিমা, বিরাট মুকুট। এই ঠাকুর না দেখলে কলকাতার মন ভরে না। একশো বছর পার হয়ে যাওয়া এই পুজো সম্পর্কে জড়িয়ে রয়েছে অনেক গল্পকথা, ইতিহাস, আর কলকাতা শহরের স্মরণীয় মানুষেরা। বড় বড় মানুষের নাম জড়িয়ে আছে বাগবাজারের এই পুজোর সঙ্গে।
চিত্তরঞ্জন দাশ প্রাক্তন কলকাতার মেয়র, দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, হরিশঙ্কর পাল ,কুমার বিশ্বনাথ রায় এমন কি আমাদের নয়নের মণি নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু এই পুজোর সঙ্গে একসময় যুক্ত ছিলেন।
“বাগবাজার সার্বজনীন দুর্গোৎসব” এর দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী এবং সরস্বতীর মুকুট তৈরি হয় নদীয়ার কৃষ্ণনগরে। তৈরি করেন কৃষ্ণনগরের মাঝের পাড়ার সাঁজ শিল্পী রাজকুমার কর।
দেবী দুর্গার মুকুট সাড়ে ১০ ফুটের, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মুকুটের উচ্চতা সাড়ে ৭ ফুট করে।
গোপাল সাঁজ ঘরে গিয়ে দেখা গেল পুজোর মরশুমে অনেকেই সাঁজ এর কাজ করছেন। এখান থেকে তৈরী সাঁজ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এমনকি ভারতবর্ষের বাইরেও যায়। কৃষ্ণনগরের আর্থ- সামাজিক দিক এই শিল্পের উপরে অনেকটাই নির্ভর করে বলেই আমার মনে হয়েছে। অন্তত বিভিন্ন উৎসব এর আগে কিছু মানুষের কাজের সুযোগ মেলে।
শিল্পী রাজকুমার করের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল শুক্রবার রাতেই কলকাতায় পাড়ি দেবে এই ঐতিহাসিক মুকুট। ৯৬ বছর ধরে চলছে তাদের এই পারিবারিক ব্যবসা। নতুন নতুন সৃষ্টির মাধ্যমে আনন্দ পান বলে জানান তিনি।
